প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর আজ প্রথমবারের মতো নিজ কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। আজ শনিবার সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে আয়োজিত এই সভায় তিনি দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিক সহযোগিতা ও নিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষ অনেক বড় প্রত্যাশা নিয়ে বর্তমান সরকারের দিকে তাকিয়ে আছে। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরাও এই সরকারের অবিচ্ছেদ্য অংশ উল্লেখ করে তিনি জানান, সরকার তখনই সফল হবে যখন কর্মকর্তারা যথাযথভাবে সহযোগিতা করবেন। তিনি আরও বলেন, “আমরা এই দেশকে আমাদের প্রথম ও শেষ ঠিকানা মনে করি। তাই দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের দায়িত্ব আমাদেরই নিতে হবে।”
তারেক রহমান উল্লেখ করেন যে, একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের পক্ষে রায় দিয়েছে। সেই মেনিফেস্টো অনুযায়ী স্বাস্থ্য, শিক্ষা, নারী উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও ক্রীড়াসহ সকল এজেন্ডা বাস্তবায়নে তিনি প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সক্রিয় ভূমিকা প্রত্যাশা করেন। বিশেষ করে দেশ থেকে দুর্নীতি দূর করতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কর্মকর্তাদের জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের আহ্বান জানান তিনি।
সভায় প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় স্বার্থে কাজের গোপনীয়তা রক্ষা এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপর বিশেষ জোর দেন। তিনি বলেন, জাতিকে একটি সুশৃঙ্খল জায়গায় নিয়ে আসতে হলে সরকারি নিয়ম-নীতি কঠোরভাবে মেনে চলা আবশ্যক। দুর্নীতিমুক্ত ও জনবান্ধব প্রশাসন গড়ে তুলতে পারলে লক্ষ্য অর্জন সহজ হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, হুমায়ুন কবির, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলাম, ডা. জাহেদ উর রহমান ও মাহ্দী আমিন। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারের সঞ্চালনায় সভায় কার্যালয়ের গঠন ও কার্যাবলি নিয়ে উপস্থাপনা পেশ করেন মহাপরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর আজ প্রথমবারের মতো নিজ কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। আজ শনিবার সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে আয়োজিত এই সভায় তিনি দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিক সহযোগিতা ও নিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষ অনেক বড় প্রত্যাশা নিয়ে বর্তমান সরকারের দিকে তাকিয়ে আছে। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরাও এই সরকারের অবিচ্ছেদ্য অংশ উল্লেখ করে তিনি জানান, সরকার তখনই সফল হবে যখন কর্মকর্তারা যথাযথভাবে সহযোগিতা করবেন। তিনি আরও বলেন, “আমরা এই দেশকে আমাদের প্রথম ও শেষ ঠিকানা মনে করি। তাই দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের দায়িত্ব আমাদেরই নিতে হবে।”
তারেক রহমান উল্লেখ করেন যে, একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের পক্ষে রায় দিয়েছে। সেই মেনিফেস্টো অনুযায়ী স্বাস্থ্য, শিক্ষা, নারী উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও ক্রীড়াসহ সকল এজেন্ডা বাস্তবায়নে তিনি প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সক্রিয় ভূমিকা প্রত্যাশা করেন। বিশেষ করে দেশ থেকে দুর্নীতি দূর করতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কর্মকর্তাদের জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণের আহ্বান জানান তিনি।
সভায় প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় স্বার্থে কাজের গোপনীয়তা রক্ষা এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপর বিশেষ জোর দেন। তিনি বলেন, জাতিকে একটি সুশৃঙ্খল জায়গায় নিয়ে আসতে হলে সরকারি নিয়ম-নীতি কঠোরভাবে মেনে চলা আবশ্যক। দুর্নীতিমুক্ত ও জনবান্ধব প্রশাসন গড়ে তুলতে পারলে লক্ষ্য অর্জন সহজ হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস, মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, হুমায়ুন কবির, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলাম, ডা. জাহেদ উর রহমান ও মাহ্দী আমিন। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারের সঞ্চালনায় সভায় কার্যালয়ের গঠন ও কার্যাবলি নিয়ে উপস্থাপনা পেশ করেন মহাপরিচালক মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী।

আপনার মতামত লিখুন