ফ্যাসিস্ট হাসিনাসহ সকল খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনা এবং ভারতীয় প্রক্সি রাজনৈতিক দল ও গণমাধ্যমের অব্যাহত ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ‘মার্চ টু ইন্ডিয়ান হাইকমিশন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ‘জুলাই ঐক্য’। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সংগঠনের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
আগামী ১৭ ডিসেম্বর (বুধবার) দুপুর ৩টায় রাজধানীর রামপুরা ব্রিজ এলাকা থেকে এই কর্মসূচি শুরু হবে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণকারী এই ঐক্যবদ্ধ মোর্চায় দেশপ্রেমিক সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের একটি অংশ, ডাকসু ও জাকসুর সাবেক নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসার সর্বস্তরের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করবেন। কর্মসূচির নেতৃত্বে থাকবেন জুলাই ঐক্যের সংগঠকরা।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময় থেকে ভারতের প্রক্সিরা নতুন করে বাংলাদেশ নিয়ে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানে গণহত্যা চালানো খুনিদের ভারত আশ্রয় দিয়েছে। এমনকি আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা শরীফ ওসমান হাদির ওপর হামলার পর ভারতীয়দের আনন্দ উল্লাস করতে দেখা গেছে। বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয় যে, ‘বাংলাদেশ ২.০’-তে কোনো ধরনের আধিপত্যবাদ মেনে নেওয়া হবে না।
জুলাই ঐক্য এই কর্মসূচি থেকে ভারত সরকার এবং অন্তর্বর্তী সরকারকে আলটিমেটাম দেবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খুনিদের ফেরত না দিলে পরবর্তী পরিস্থিতির জন্য দিল্লি এবং বর্তমান সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে দায়ভার নিতে হবে বলে তারা হুঁশিয়ারি দেন। তারা অভিযোগ করেন, ভারত ও তাদের প্রক্সিরা বাংলাদেশে গণতন্ত্র রক্ষা এবং নির্বাচন হোক—তা চায় না, যার ফলে দেশে একের পর এক বিশৃঙ্খলা চালানো হচ্ছে।
সার্বভৌমত্ব রক্ষায় চব্বিশের ছাত্র-জনতাকে আবারও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দল-মত নির্বিশেষে সকল পেশার মানুষকে রাজপথে নেমে আসতে হবে। আগামী বুধবার দুপুর ৩টায় রামপুরা ব্রিজে উপস্থিত হয়ে এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য সকলকে বিনীত আহ্বান জানানো হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫
ফ্যাসিস্ট হাসিনাসহ সকল খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনা এবং ভারতীয় প্রক্সি রাজনৈতিক দল ও গণমাধ্যমের অব্যাহত ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ‘মার্চ টু ইন্ডিয়ান হাইকমিশন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ‘জুলাই ঐক্য’। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সংগঠনের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
আগামী ১৭ ডিসেম্বর (বুধবার) দুপুর ৩টায় রাজধানীর রামপুরা ব্রিজ এলাকা থেকে এই কর্মসূচি শুরু হবে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণকারী এই ঐক্যবদ্ধ মোর্চায় দেশপ্রেমিক সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের একটি অংশ, ডাকসু ও জাকসুর সাবেক নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসার সর্বস্তরের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করবেন। কর্মসূচির নেতৃত্বে থাকবেন জুলাই ঐক্যের সংগঠকরা।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়, গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময় থেকে ভারতের প্রক্সিরা নতুন করে বাংলাদেশ নিয়ে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানে গণহত্যা চালানো খুনিদের ভারত আশ্রয় দিয়েছে। এমনকি আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা শরীফ ওসমান হাদির ওপর হামলার পর ভারতীয়দের আনন্দ উল্লাস করতে দেখা গেছে। বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করা হয় যে, ‘বাংলাদেশ ২.০’-তে কোনো ধরনের আধিপত্যবাদ মেনে নেওয়া হবে না।
জুলাই ঐক্য এই কর্মসূচি থেকে ভারত সরকার এবং অন্তর্বর্তী সরকারকে আলটিমেটাম দেবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে খুনিদের ফেরত না দিলে পরবর্তী পরিস্থিতির জন্য দিল্লি এবং বর্তমান সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে দায়ভার নিতে হবে বলে তারা হুঁশিয়ারি দেন। তারা অভিযোগ করেন, ভারত ও তাদের প্রক্সিরা বাংলাদেশে গণতন্ত্র রক্ষা এবং নির্বাচন হোক—তা চায় না, যার ফলে দেশে একের পর এক বিশৃঙ্খলা চালানো হচ্ছে।
সার্বভৌমত্ব রক্ষায় চব্বিশের ছাত্র-জনতাকে আবারও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দল-মত নির্বিশেষে সকল পেশার মানুষকে রাজপথে নেমে আসতে হবে। আগামী বুধবার দুপুর ৩টায় রামপুরা ব্রিজে উপস্থিত হয়ে এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য সকলকে বিনীত আহ্বান জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন