শফিকুর রহমান বলেছেন, মন্ত্রিপর্যায়ের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের ‘কাঁচা কথাবার্তা’ সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে এবং অপরাধকে উসকে দিচ্ছে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বাদ জুম্মা সিলেটের কুদরত উল্লাহ মসজিদে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, “সরকারদলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য দিচ্ছেন, যা সমাজকে অস্থির করে তুলছে। এভাবে চলতে থাকলে দেশ ভালো দিকে যাবে না।” তিনি সাম্প্রতিক সময়ে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কথাও তুলে ধরেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সরকারদলীয় কেউ যেন অপরাধীদের পক্ষ না নেয়। “অপরাধীদের পাশে দাঁড়ানো শুরু হলে সমাজ থেকে অপরাধ দূর করা অসম্ভব হয়ে পড়বে,”—যোগ করেন তিনি।
রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে অভিসংশন প্রস্তাব আনা হবে কি না—এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিষয়টি এখনো দলীয় ফোরামে আলোচনা হয়নি। দেশের কল্যাণে যা মঙ্গলজনক হবে, আলোচনা করে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ভালো উদ্যোগ নিলে সমর্থন দেওয়া হবে। তবে জনগণ, পরিবেশ বা ধর্মীয় বিষয়ে ক্ষতিকর কোনো সিদ্ধান্ত এলে তার বিরোধিতা করা হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শফিকুর রহমান বলেছেন, মন্ত্রিপর্যায়ের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের ‘কাঁচা কথাবার্তা’ সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে এবং অপরাধকে উসকে দিচ্ছে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বাদ জুম্মা সিলেটের কুদরত উল্লাহ মসজিদে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, “সরকারদলের কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন বক্তব্য দিচ্ছেন, যা সমাজকে অস্থির করে তুলছে। এভাবে চলতে থাকলে দেশ ভালো দিকে যাবে না।” তিনি সাম্প্রতিক সময়ে দেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কথাও তুলে ধরেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সরকারদলীয় কেউ যেন অপরাধীদের পক্ষ না নেয়। “অপরাধীদের পাশে দাঁড়ানো শুরু হলে সমাজ থেকে অপরাধ দূর করা অসম্ভব হয়ে পড়বে,”—যোগ করেন তিনি।
রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে অভিসংশন প্রস্তাব আনা হবে কি না—এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিষয়টি এখনো দলীয় ফোরামে আলোচনা হয়নি। দেশের কল্যাণে যা মঙ্গলজনক হবে, আলোচনা করে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ভালো উদ্যোগ নিলে সমর্থন দেওয়া হবে। তবে জনগণ, পরিবেশ বা ধর্মীয় বিষয়ে ক্ষতিকর কোনো সিদ্ধান্ত এলে তার বিরোধিতা করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন