প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ বা কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকার পূর্ণ শক্তিতে কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ। তিনি উল্লেখ করেছেন, প্রধানমন্ত্রী একটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) মতো প্রতিটি বিষয় নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং সেভাবেই কাজ আদায় করে নিচ্ছেন।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকালে লক্ষ্মীপুর সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর নিজ জেলা লক্ষ্মীপুরে এটিই তার প্রথম সফর।
উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, গত দেড় দশকের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে জনপ্রশাসনকে চরমভাবে দলীয়করণ করা হয়েছে। এর ফলে প্রশাসন তার চিরচেনা নিরপেক্ষতা ও দক্ষতা হারিয়েছে। দেশের প্রায় প্রতিটি স্তরে যে ধস নেমেছে, প্রশাসনও তা থেকে মুক্ত থাকতে পারেনি। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা একটি দক্ষ, মেধাভিত্তিক ও নিরপেক্ষ প্রশাসন দেশবাসীকে উপহার দেব। সরকারি কর্মকর্তারা জনগণের প্রশাসক হিসেবে নয়, বরং প্রকৃত সেবক হিসেবে কাজ করবেন।
জনপ্রশাসন উপদেষ্টা আরও জানান, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ও জনগণের কাছে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করা এখন তাদের পবিত্র দায়িত্ব। বৈষম্যহীন, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং দুর্নীতিমুক্ত একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়াই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজয়ী হওয়ার ফলে বিএনপির ওপর এক বিশাল দায়বদ্ধতা তৈরি হয়েছে। এখন শুধু বিএনপি নয়, সব দলকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে জাতিকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়া হবে।
নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতিতে জাতীয় পরিচয়ই মুখ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’—এটিই আমাদের মূল আদর্শ। জনগণের বিপুল ভোটে অর্জিত এই বিজয়ের মর্যাদা রক্ষায় জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে আগামী দিনগুলোতে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
এর আগে লক্ষ্মীপুর সার্কিট হাউসে পৌঁছালে উপদেষ্টাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসান ও পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এ সময় স্থানীয় বিএনপির বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীও উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘোষিত ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ বা কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকার পূর্ণ শক্তিতে কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ। তিনি উল্লেখ করেছেন, প্রধানমন্ত্রী একটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) মতো প্রতিটি বিষয় নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং সেভাবেই কাজ আদায় করে নিচ্ছেন।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকালে লক্ষ্মীপুর সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর নিজ জেলা লক্ষ্মীপুরে এটিই তার প্রথম সফর।
উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, গত দেড় দশকের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশে জনপ্রশাসনকে চরমভাবে দলীয়করণ করা হয়েছে। এর ফলে প্রশাসন তার চিরচেনা নিরপেক্ষতা ও দক্ষতা হারিয়েছে। দেশের প্রায় প্রতিটি স্তরে যে ধস নেমেছে, প্রশাসনও তা থেকে মুক্ত থাকতে পারেনি। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা একটি দক্ষ, মেধাভিত্তিক ও নিরপেক্ষ প্রশাসন দেশবাসীকে উপহার দেব। সরকারি কর্মকর্তারা জনগণের প্রশাসক হিসেবে নয়, বরং প্রকৃত সেবক হিসেবে কাজ করবেন।
জনপ্রশাসন উপদেষ্টা আরও জানান, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ও জনগণের কাছে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করা এখন তাদের পবিত্র দায়িত্ব। বৈষম্যহীন, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং দুর্নীতিমুক্ত একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়াই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজয়ী হওয়ার ফলে বিএনপির ওপর এক বিশাল দায়বদ্ধতা তৈরি হয়েছে। এখন শুধু বিএনপি নয়, সব দলকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে জাতিকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়া হবে।
নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতিতে জাতীয় পরিচয়ই মুখ্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’—এটিই আমাদের মূল আদর্শ। জনগণের বিপুল ভোটে অর্জিত এই বিজয়ের মর্যাদা রক্ষায় জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে আগামী দিনগুলোতে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
এর আগে লক্ষ্মীপুর সার্কিট হাউসে পৌঁছালে উপদেষ্টাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসান ও পুলিশ সুপার মো. আবু তারেক তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এ সময় স্থানীয় বিএনপির বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীও উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন