ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

বইমেলায় প্রধানমন্ত্রী: ইন্টারনেট আসক্তি তরুণদের বই বিমুখ করছে


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

বইমেলায় প্রধানমন্ত্রী: ইন্টারনেট আসক্তি তরুণদের বই বিমুখ করছে

তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ইন্টারনেট আসক্তি তরুণদের বই বিমুখ করে তুলছে এবং এই প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসতে সমাজের সকল স্তরে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকেলে অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

বই পড়ার বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে নিয়মিত বই পড়লে মস্তিষ্কের কোষগুলোর মধ্যে নতুন সংযোগ তৈরি হয়, যা মানুষের স্মৃতিশক্তি ও বিশ্লেষণী দক্ষতা বৃদ্ধি করে। এমনকি আলঝেইমার ও ডিমেনশিয়ার মতো জটিল রোগের ঝুঁকিও কমাতে পারে। তিনি জার্মান দার্শনিক মারকুইস সিসেরোর উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, বই ছাড়া ঘর আত্মা ছাড়া দেহের মতো।

তিনি আরও বলেন, বিজ্ঞানীরা বই পড়াকে মস্তিষ্কের এক ধরনের ব্যায়াম বলে অভিহিত করেন। যুক্তরাজ্য ও কানাডার মতো উন্নত দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ মারাত্মকভাবে হ্রাস পাচ্ছে। মনিটরের পর্দায় পড়লেও মুদ্রিত বইয়ের পাতায় পড়ার মতো গভীর জ্ঞানার্জন সম্ভব হয় না এবং শরীর ও মনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে একজন মানুষ গড়ে বছরে মাত্র তিনটি বই পড়েন এবং বই পড়ার পেছনে সারা বছরে ব্যয় করেন মাত্র ৬২ ঘণ্টা সময়। এই পরিসংখ্যানকে উদ্বেগজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, অমর একুশে বইমেলা নিছক একটি উৎসবে সীমাবদ্ধ না থেকে দেশের মানুষকে আরও বইপ্রেমী করে তুলবে — এটাই তার প্রত্যাশা।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


বইমেলায় প্রধানমন্ত্রী: ইন্টারনেট আসক্তি তরুণদের বই বিমুখ করছে

প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ইন্টারনেট আসক্তি তরুণদের বই বিমুখ করে তুলছে এবং এই প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসতে সমাজের সকল স্তরে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকেলে অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

বই পড়ার বৈজ্ঞানিক গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে যে নিয়মিত বই পড়লে মস্তিষ্কের কোষগুলোর মধ্যে নতুন সংযোগ তৈরি হয়, যা মানুষের স্মৃতিশক্তি ও বিশ্লেষণী দক্ষতা বৃদ্ধি করে। এমনকি আলঝেইমার ও ডিমেনশিয়ার মতো জটিল রোগের ঝুঁকিও কমাতে পারে। তিনি জার্মান দার্শনিক মারকুইস সিসেরোর উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, বই ছাড়া ঘর আত্মা ছাড়া দেহের মতো।

তিনি আরও বলেন, বিজ্ঞানীরা বই পড়াকে মস্তিষ্কের এক ধরনের ব্যায়াম বলে অভিহিত করেন। যুক্তরাজ্য ও কানাডার মতো উন্নত দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ মারাত্মকভাবে হ্রাস পাচ্ছে। মনিটরের পর্দায় পড়লেও মুদ্রিত বইয়ের পাতায় পড়ার মতো গভীর জ্ঞানার্জন সম্ভব হয় না এবং শরীর ও মনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে একজন মানুষ গড়ে বছরে মাত্র তিনটি বই পড়েন এবং বই পড়ার পেছনে সারা বছরে ব্যয় করেন মাত্র ৬২ ঘণ্টা সময়। এই পরিসংখ্যানকে উদ্বেগজনক উল্লেখ করে তিনি বলেন, অমর একুশে বইমেলা নিছক একটি উৎসবে সীমাবদ্ধ না থেকে দেশের মানুষকে আরও বইপ্রেমী করে তুলবে — এটাই তার প্রত্যাশা।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ