নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী থান সোয়ে এবং ইউনাইটেড লিগ অব আরাকানের (ইউএলএ) চেয়ারম্যান ও আরাকান সেনাপ্রধান টোয়ান মরাত নাইং — যা বাংলাদেশের সঙ্গে আরাকান সেনার সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) পাঠানো এই অভিনন্দনবার্তা দুটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। কারণ এটিই প্রথমবারের মতো আরাকান সেনার পক্ষ থেকে বাংলাদেশের কোনো পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিনন্দন জানানো হলো।
মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী থান সোয়ে তাঁর বার্তায় নেপিডো ও ঢাকার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর করা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার ব্যাপারে দৃঢ় অঙ্গীকার প্রকাশ করেছেন।
অন্যদিকে ইউএলএ চেয়ারম্যান টোয়ান মরাত নাইং তাঁর অভিনন্দনপত্রে বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নতুন দায়িত্বে তিনি আশা করেন বাস্তবসম্মত ও দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের পথ খুঁজতে ড. খলিলুর রহমান আরাকানের সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বিদ্যমান সদিচ্ছার ভিত্তিতে বাংলাদেশ ও আরাকানের মধ্যে বন্ধুত্বের একটি নতুন অধ্যায় রচনার সুযোগ এখন সামনে এসেছে।
বাংলাদেশের সঙ্গে মিয়ানমারের দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকট ও সীমান্ত উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই দ্বিমুখী কূটনৈতিক যোগাযোগকে বিশ্লেষকরা ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নবনিযুক্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী থান সোয়ে এবং ইউনাইটেড লিগ অব আরাকানের (ইউএলএ) চেয়ারম্যান ও আরাকান সেনাপ্রধান টোয়ান মরাত নাইং — যা বাংলাদেশের সঙ্গে আরাকান সেনার সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) পাঠানো এই অভিনন্দনবার্তা দুটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। কারণ এটিই প্রথমবারের মতো আরাকান সেনার পক্ষ থেকে বাংলাদেশের কোনো পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিনন্দন জানানো হলো।
মিয়ানমারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী থান সোয়ে তাঁর বার্তায় নেপিডো ও ঢাকার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর করা এবং পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করার ব্যাপারে দৃঢ় অঙ্গীকার প্রকাশ করেছেন।
অন্যদিকে ইউএলএ চেয়ারম্যান টোয়ান মরাত নাইং তাঁর অভিনন্দনপত্রে বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নতুন দায়িত্বে তিনি আশা করেন বাস্তবসম্মত ও দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের পথ খুঁজতে ড. খলিলুর রহমান আরাকানের সঙ্গে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বিদ্যমান সদিচ্ছার ভিত্তিতে বাংলাদেশ ও আরাকানের মধ্যে বন্ধুত্বের একটি নতুন অধ্যায় রচনার সুযোগ এখন সামনে এসেছে।
বাংলাদেশের সঙ্গে মিয়ানমারের দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকট ও সীমান্ত উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই দ্বিমুখী কূটনৈতিক যোগাযোগকে বিশ্লেষকরা ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখছেন।

আপনার মতামত লিখুন