বিভিন্ন ক্ষেত্রে গৌরবোজ্জ্বল ও অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং একটি জনপ্রিয় সঙ্গীত ব্যান্ডকে রাষ্ট্রের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘একুশে পদক-২০২৬’ প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে তিনি এই পদক তুলে দেন।
গত ১৯ ফেব্রুয়ারি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় থেকে একুশে পদকপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল। আজ আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ীদের হাতে পদক, সম্মাননা সনদ ও অর্থ তুলে দেওয়া হয়। পদক বিতরণী অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং দেশের বরেণ্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
এ বছর যারা একুশে পদক পেলেন: অভিনয়ে বরেণ্য অভিনেত্রী ফরিদা আক্তার ববিতা, চারুকলায় অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস সাত্তার, স্থাপত্যে মেরিনা তাবাসসুম, নৃত্যে অর্থী আহমেদ, পালাগানে ইসলাম উদ্দিন পালাকার এবং ভাস্কর্যে তেজস হালদার জস এই সম্মাননা লাভ করেন। এছাড়া সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান, শিক্ষাক্ষেত্রে অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার এবং সংগীতে কিংবদন্তি আইয়ুব বাচ্চুকে (মরণোত্তর) পদক প্রদান করা হয়। প্রথমবারের মতো কোনো ব্যান্ড দল হিসেবে সংগীতাঙ্গনে বিশেষ অবদানের জন্য জনপ্রিয় ব্যান্ড 'ওয়ারফেজ' প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে এই পদক গ্রহণ করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো একুশে পদক প্রবর্তন করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। এটি শুধু একটি পদক নয়, বরং এর মাধ্যমে ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত দেশের সব ঐতিহাসিক ঘটনাকে স্মরণ করা হয়। তিনি আরও বলেন, শিক্ষা, গবেষণা এবং শিল্প-সাহিত্য চর্চাকে রাজনীতিকীকরণ করা কখনোই সভ্য সমাজের পরিচায়ক নয়। সরকার জ্ঞান-বিজ্ঞানের সব শাখায় দেশকে এগিয়ে নিতে এবং একটি নৈতিক মানসম্পন্ন উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের আত্মপরিচয়ের স্মারক এবং জালেমের বিরুদ্ধে অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের প্রেরণা। জ্ঞানী ও গুণীজনদের কর্মময় জীবনের সঙ্গে আপামর জনগণের পরিচয় করিয়ে দেওয়া রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিভিন্ন ক্ষেত্রে গৌরবোজ্জ্বল ও অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং একটি জনপ্রিয় সঙ্গীত ব্যান্ডকে রাষ্ট্রের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘একুশে পদক-২০২৬’ প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে তিনি এই পদক তুলে দেন।
গত ১৯ ফেব্রুয়ারি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় থেকে একুশে পদকপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল। আজ আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ীদের হাতে পদক, সম্মাননা সনদ ও অর্থ তুলে দেওয়া হয়। পদক বিতরণী অনুষ্ঠানে মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং দেশের বরেণ্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
এ বছর যারা একুশে পদক পেলেন: অভিনয়ে বরেণ্য অভিনেত্রী ফরিদা আক্তার ববিতা, চারুকলায় অধ্যাপক ড. মো. আব্দুস সাত্তার, স্থাপত্যে মেরিনা তাবাসসুম, নৃত্যে অর্থী আহমেদ, পালাগানে ইসলাম উদ্দিন পালাকার এবং ভাস্কর্যে তেজস হালদার জস এই সম্মাননা লাভ করেন। এছাড়া সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান, শিক্ষাক্ষেত্রে অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার এবং সংগীতে কিংবদন্তি আইয়ুব বাচ্চুকে (মরণোত্তর) পদক প্রদান করা হয়। প্রথমবারের মতো কোনো ব্যান্ড দল হিসেবে সংগীতাঙ্গনে বিশেষ অবদানের জন্য জনপ্রিয় ব্যান্ড 'ওয়ারফেজ' প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে এই পদক গ্রহণ করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো একুশে পদক প্রবর্তন করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। এটি শুধু একটি পদক নয়, বরং এর মাধ্যমে ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত দেশের সব ঐতিহাসিক ঘটনাকে স্মরণ করা হয়। তিনি আরও বলেন, শিক্ষা, গবেষণা এবং শিল্প-সাহিত্য চর্চাকে রাজনীতিকীকরণ করা কখনোই সভ্য সমাজের পরিচায়ক নয়। সরকার জ্ঞান-বিজ্ঞানের সব শাখায় দেশকে এগিয়ে নিতে এবং একটি নৈতিক মানসম্পন্ন উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের আত্মপরিচয়ের স্মারক এবং জালেমের বিরুদ্ধে অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের প্রেরণা। জ্ঞানী ও গুণীজনদের কর্মময় জীবনের সঙ্গে আপামর জনগণের পরিচয় করিয়ে দেওয়া রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

আপনার মতামত লিখুন