ঢাকা, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ – পানি সম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি আজ ঢাকা থেকে প্রকাশিত এক সংবাদে জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০২৬-৩১ সময়সীমায় দেশব্যাপী খাল-পুকুর-জলাশয় খনন ও পুনঃখননের একটি বিশাল উদ্যোগ চালুর সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।
মন্ত্রী এদিন কেরানীগঞ্জে শুভাঢ্যা খাল ও আঁটি খাল পুনঃখননসহ খালের উভয় পাড়ের সুরক্ষা ব্যবস্থা পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের বলেন, এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো দেশের হাজার হাজার খাল ও জলাধারকে দখল ও দূষণমুক্ত করে তাদের কার্যকর পানি প্রবাহ এবং পরিবেশগত ভারসাম্য ফিরিয়ে আনা।
তিনি আরও বলেন, কর্মসূচির আওতায় অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে খাল পুনরুদ্ধার করা, খালের পাড় সুরক্ষার জন্য ব্যাপক বৃক্ষরোপণ ও সৌন্দর্য বর্ধন, পাশাপাশি খাল খনন, উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি জানান, ইতোমধ্যে চলমান প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে দেশের কিছু খালের খনন ও পুনরুদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে এবং অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ২০ হাজার কিলোমিটার লক্ষ্য নিয়ে ব্যাপক কর্মসূচি নেওয়া হবে। তিনি বলেন, কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যা ও আঁটি খালের কাজ শigগিরই শেষ করা হবে এবং জল প্রবাহ ঠিক রাখার জন্য পরবর্তী পর্যায়ের প্রকল্প নেওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত দেশের জল মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পরিবেশগত ও নগর পরিকল্পনা ক্ষেত্রগুলোর ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। তবে কর্মসূচির বাস্তবায়নে সময়সীমা ও বাজেট ব্যবস্থাপনাসহ অন্যান্য বিষয়গুলো বিস্তারিত ঘোষণা এখনো বাকি।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঢাকা, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ – পানি সম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি আজ ঢাকা থেকে প্রকাশিত এক সংবাদে জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০২৬-৩১ সময়সীমায় দেশব্যাপী খাল-পুকুর-জলাশয় খনন ও পুনঃখননের একটি বিশাল উদ্যোগ চালুর সিদ্ধান্ত দিয়েছেন।
মন্ত্রী এদিন কেরানীগঞ্জে শুভাঢ্যা খাল ও আঁটি খাল পুনঃখননসহ খালের উভয় পাড়ের সুরক্ষা ব্যবস্থা পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের বলেন, এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো দেশের হাজার হাজার খাল ও জলাধারকে দখল ও দূষণমুক্ত করে তাদের কার্যকর পানি প্রবাহ এবং পরিবেশগত ভারসাম্য ফিরিয়ে আনা।
তিনি আরও বলেন, কর্মসূচির আওতায় অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে খাল পুনরুদ্ধার করা, খালের পাড় সুরক্ষার জন্য ব্যাপক বৃক্ষরোপণ ও সৌন্দর্য বর্ধন, পাশাপাশি খাল খনন, উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি জানান, ইতোমধ্যে চলমান প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে দেশের কিছু খালের খনন ও পুনরুদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে এবং অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ২০ হাজার কিলোমিটার লক্ষ্য নিয়ে ব্যাপক কর্মসূচি নেওয়া হবে। তিনি বলেন, কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যা ও আঁটি খালের কাজ শigগিরই শেষ করা হবে এবং জল প্রবাহ ঠিক রাখার জন্য পরবর্তী পর্যায়ের প্রকল্প নেওয়া হবে।
প্রধানমন্ত্রীর এই সিদ্ধান্ত দেশের জল মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পরিবেশগত ও নগর পরিকল্পনা ক্ষেত্রগুলোর ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। তবে কর্মসূচির বাস্তবায়নে সময়সীমা ও বাজেট ব্যবস্থাপনাসহ অন্যান্য বিষয়গুলো বিস্তারিত ঘোষণা এখনো বাকি।

আপনার মতামত লিখুন