ঢাকা    বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

মানবিকতা ও কঠোরতার সমন্বয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন শাহজাহানপুর থানার ওসি তৌহিদুল ইসলাম


মোঃ নাজমুল হাসান নাজির
মোঃ নাজমুল হাসান নাজির Staff Reporter
প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

মানবিকতা ও কঠোরতার সমন্বয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন শাহজাহানপুর থানার ওসি তৌহিদুল ইসলাম

বগুড়ার শাহজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ তৌহিদুল ইসলাম মানবিক পুলিশিং ও কঠোর আইন প্রয়োগের সমন্বয়ে এলাকায় এক ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে থানার কার্যক্রমে বাংলাদেশ পুলিশের জনবান্ধব চেতনার প্রতিফলন আরও সুস্পষ্ট হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

এলাকাবাসীর ভাষ্য, তিনি শুধু একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা নন, সাধারণ মানুষের কাছে একজন সহমর্মী অভিভাবক। ২৪ ঘণ্টা অফিসিয়াল নম্বর খোলা রেখে নিজেই কল রিসিভ করেন। গভীর রাতেও কেউ বিপদে পড়ে যোগাযোগ করলে দ্রুত সাড়া দিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ও মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করেন।

থানায় আগত অভিযোগকারীদের সঙ্গে ধৈর্য ও মনোযোগ দিয়ে কথা বলা তাঁর অন্যতম বৈশিষ্ট্য। তিনি সবাইকে ‘আপনি’ সম্বোধন করে সম্মান প্রদর্শন করেন এবং সংযত ও নম্র আচরণ বজায় রাখেন। ফলে থানায় সাধারণ মানুষ ভয় নয়, বরং আস্থা ও স্বস্তি অনুভব করেন। এতে পুলিশ ও জনগণের সম্পর্ক আরও বিশ্বাসভিত্তিক হয়ে উঠছে।

মানবিকতার পাশাপাশি অপরাধ দমনে তাঁর অবস্থান কঠোর ও নিরপেক্ষ। দল, মত বা প্রভাব নির্বিশেষে অপরাধীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, চুরি, ডাকাতি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

ওসি তৌহিদুল ইসলাম বলেন, “পুলিশ জনগণের বন্ধু, এটি শুধু স্লোগান নয়, আমাদের দায়িত্ব। একজন অসহায় মানুষ থানায় এলে তার প্রথম প্রয়োজন আস্থা ও সম্মান। আমরা সেই আস্থা ফিরিয়ে দিতে চাই। একই সঙ্গে মাদক, সন্ত্রাস বা যেকোনো অপরাধের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট। আইনের ভিত্তিতেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তিনি আরও বলেন, “জনগণের সঙ্গে ভালো আচরণ করা যেমন কর্তব্য, তেমনি অপরাধের ক্ষেত্রে কঠোর হওয়াও সমান জরুরি। মানবিকতা ও কঠোরতার ভারসাম্যই একটি আদর্শ থানা গড়ে তুলতে পারে।”

তাঁর নির্দেশনায় টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সচেতন মহলের মতে, এতে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে।

অধীনস্থ সদস্যদের উদ্দেশ্যে তিনি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন, আইনের চোখে সবাই সমান। কোনো রাজনৈতিক, সামাজিক বা ব্যক্তিগত প্রভাব আইনের প্রয়োগে বাধা হতে পারবে না। নিয়মিত ব্রিফিং ও তদারকির মাধ্যমে পেশাগত সততা, শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, মানবিক ও দৃঢ় এই নেতৃত্বের ধারা অব্যাহত থাকবে এবং দেশের প্রতিটি থানায় এমন জনবান্ধব ও ন্যায়ভিত্তিক পুলিশি সেবা নিশ্চিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬


মানবিকতা ও কঠোরতার সমন্বয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করছেন শাহজাহানপুর থানার ওসি তৌহিদুল ইসলাম

প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

বগুড়ার শাহজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ তৌহিদুল ইসলাম মানবিক পুলিশিং ও কঠোর আইন প্রয়োগের সমন্বয়ে এলাকায় এক ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে থানার কার্যক্রমে বাংলাদেশ পুলিশের জনবান্ধব চেতনার প্রতিফলন আরও সুস্পষ্ট হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

এলাকাবাসীর ভাষ্য, তিনি শুধু একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা নন, সাধারণ মানুষের কাছে একজন সহমর্মী অভিভাবক। ২৪ ঘণ্টা অফিসিয়াল নম্বর খোলা রেখে নিজেই কল রিসিভ করেন। গভীর রাতেও কেউ বিপদে পড়ে যোগাযোগ করলে দ্রুত সাড়া দিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ও মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করেন।

থানায় আগত অভিযোগকারীদের সঙ্গে ধৈর্য ও মনোযোগ দিয়ে কথা বলা তাঁর অন্যতম বৈশিষ্ট্য। তিনি সবাইকে ‘আপনি’ সম্বোধন করে সম্মান প্রদর্শন করেন এবং সংযত ও নম্র আচরণ বজায় রাখেন। ফলে থানায় সাধারণ মানুষ ভয় নয়, বরং আস্থা ও স্বস্তি অনুভব করেন। এতে পুলিশ ও জনগণের সম্পর্ক আরও বিশ্বাসভিত্তিক হয়ে উঠছে।

মানবিকতার পাশাপাশি অপরাধ দমনে তাঁর অবস্থান কঠোর ও নিরপেক্ষ। দল, মত বা প্রভাব নির্বিশেষে অপরাধীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, চুরি, ডাকাতি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে বলে তিনি জানিয়েছেন।

ওসি তৌহিদুল ইসলাম বলেন, “পুলিশ জনগণের বন্ধু, এটি শুধু স্লোগান নয়, আমাদের দায়িত্ব। একজন অসহায় মানুষ থানায় এলে তার প্রথম প্রয়োজন আস্থা ও সম্মান। আমরা সেই আস্থা ফিরিয়ে দিতে চাই। একই সঙ্গে মাদক, সন্ত্রাস বা যেকোনো অপরাধের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট। আইনের ভিত্তিতেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তিনি আরও বলেন, “জনগণের সঙ্গে ভালো আচরণ করা যেমন কর্তব্য, তেমনি অপরাধের ক্ষেত্রে কঠোর হওয়াও সমান জরুরি। মানবিকতা ও কঠোরতার ভারসাম্যই একটি আদর্শ থানা গড়ে তুলতে পারে।”

তাঁর নির্দেশনায় টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সচেতন মহলের মতে, এতে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি হয়েছে।

অধীনস্থ সদস্যদের উদ্দেশ্যে তিনি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন, আইনের চোখে সবাই সমান। কোনো রাজনৈতিক, সামাজিক বা ব্যক্তিগত প্রভাব আইনের প্রয়োগে বাধা হতে পারবে না। নিয়মিত ব্রিফিং ও তদারকির মাধ্যমে পেশাগত সততা, শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, মানবিক ও দৃঢ় এই নেতৃত্বের ধারা অব্যাহত থাকবে এবং দেশের প্রতিটি থানায় এমন জনবান্ধব ও ন্যায়ভিত্তিক পুলিশি সেবা নিশ্চিত হবে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০২৪১০৯১৭৩০
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: 01711-070054

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ