রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ২০০৯ সালের এই দিনে বিডিআরের বিদ্রোহে ৫৭ জন মেধাবী সেনা কর্মকর্তাসহ মোট প্রায় ৭২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এই মন্তব্য করেন।
ফখরুল এ ঘটনাকে জাতির ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক ও বেদনাবিধুর অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সেদিন দেশের নিরাপত্তা কাঠামোকে দুর্বল করার গভীর ষড়যন্ত্র চালানো হয়েছিল। বিশেষ করে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাকে হত্যার মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মনোবল ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
তবে তিনি বলেন, জনগণ স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় দৃঢ় অবস্থান নিয়ে সেই ষড়যন্ত্র প্রতিহত করেছে। এছাড়া নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পাওয়ার পর গণতন্ত্রকে সুসংহত করা এবং দেশের সার্বভৌমত্ব আরও শক্তিশালী করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। অতীতের ধারাবাহিকতায় দেশকে একটি পূর্ণাঙ্গ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলা তাদের প্রধান লক্ষ্য।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাজধানীর বনানী সামরিক কবরস্থানে শহীদ সেনা কর্মকর্তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ২০০৯ সালের এই দিনে বিডিআরের বিদ্রোহে ৫৭ জন মেধাবী সেনা কর্মকর্তাসহ মোট প্রায় ৭২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এই মন্তব্য করেন।
ফখরুল এ ঘটনাকে জাতির ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক ও বেদনাবিধুর অধ্যায় হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সেদিন দেশের নিরাপত্তা কাঠামোকে দুর্বল করার গভীর ষড়যন্ত্র চালানো হয়েছিল। বিশেষ করে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাকে হত্যার মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মনোবল ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
তবে তিনি বলেন, জনগণ স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় দৃঢ় অবস্থান নিয়ে সেই ষড়যন্ত্র প্রতিহত করেছে। এছাড়া নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পাওয়ার পর গণতন্ত্রকে সুসংহত করা এবং দেশের সার্বভৌমত্ব আরও শক্তিশালী করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। অতীতের ধারাবাহিকতায় দেশকে একটি পূর্ণাঙ্গ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলা তাদের প্রধান লক্ষ্য।

আপনার মতামত লিখুন