আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের শৃঙ্খলা রক্ষা এবং বিচারিক কার্যক্রমের গতিশীলতা বজায় রাখতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে। সূত্রমতে, দেড় মাস আগেই ট্রাইব্যুনালের পক্ষ থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হয়, যেখানে সুলতান মাহমুদ সীমনকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছিল।
চিঠিতে ঠিক কী কারণে তাকে সরানোর সুপারিশ করা হয়েছিল, তা সুনির্দিষ্টভাবে প্রকাশ করা না হলেও ধারণা করা হচ্ছে—পেশাদারিত্বের অভাব বা অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক কোনো বিষয়ের ওপর ভিত্তি করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে চিঠি পাঠানোর দীর্ঘ সময় পরও কেন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তা নিয়ে বিচারিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছে।
সুলতান মাহমুদ সীমন দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাইব্যুনালের পুনর্গঠন এবং প্রসিকিউশন টিমে রদবদলের গুঞ্জনের মধ্যে এই চিঠির বিষয়টি সামনে এল।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মতো একটি স্পর্শকাতর স্থানে প্রসিকিউটরদের দক্ষতা ও স্বচ্ছতা অত্যন্ত জরুরি। দেড় মাস আগে পাঠানো এই চিঠির কার্যকর বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি বলে মনে করছেন বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবী মহল।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের শৃঙ্খলা রক্ষা এবং বিচারিক কার্যক্রমের গতিশীলতা বজায় রাখতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে। সূত্রমতে, দেড় মাস আগেই ট্রাইব্যুনালের পক্ষ থেকে আইন মন্ত্রণালয়ে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হয়, যেখানে সুলতান মাহমুদ সীমনকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছিল।
চিঠিতে ঠিক কী কারণে তাকে সরানোর সুপারিশ করা হয়েছিল, তা সুনির্দিষ্টভাবে প্রকাশ করা না হলেও ধারণা করা হচ্ছে—পেশাদারিত্বের অভাব বা অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক কোনো বিষয়ের ওপর ভিত্তি করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে চিঠি পাঠানোর দীর্ঘ সময় পরও কেন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, তা নিয়ে বিচারিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছে।
সুলতান মাহমুদ সীমন দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাইব্যুনালের পুনর্গঠন এবং প্রসিকিউশন টিমে রদবদলের গুঞ্জনের মধ্যে এই চিঠির বিষয়টি সামনে এল।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের মতো একটি স্পর্শকাতর স্থানে প্রসিকিউটরদের দক্ষতা ও স্বচ্ছতা অত্যন্ত জরুরি। দেড় মাস আগে পাঠানো এই চিঠির কার্যকর বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি বলে মনে করছেন বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবী মহল।

আপনার মতামত লিখুন