মহাদেবপুর উপজেলার মাতাজীহাট–ফতেপুর–কুন্দুনা পার্ক সড়কের সামনে অবস্থিত ব্রিটিশ আমলে নির্মিত একটি লোহার ব্রিজ দীর্ঘদিন ধরে ভাঙাচুরা ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ব্রিজটির একাধিক অংশ ভেঙে গেছে, বহু স্থানে মরিচা ধরে কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছে। ফলে ধানবোঝাই অটো, অটোরিকশা, মোটরসাইকেলসহ ছোট যানবাহন চলাচলে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে এবং প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে।
খবর পেয়ে জাতীয় দৈনিক নববানী মাল্টিমিডিয়া ও পত্রিকা-এর সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বেহাল চিত্র প্রত্যক্ষ করেন। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ থাকলেও জনপ্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এলাকাবাসীর অভিযোগ, একাধিকবার চেয়ারম্যান ও মেম্বারকে বিষয়টি জানানো হলেও তাতে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যায়নি।
স্থানীয়রা আরও জানান, এই ব্রিজটি ব্যবহার না করলে বিকল্প পথে চলাচল করতে প্রায় ১৫ কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ ঘুরে যেতে হয়- যা সময় ও অর্থ দুটোরই অপচয়। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, রোগী পরিবহন এবং কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণে এই ব্রিজটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সাংবাদিকদের উপস্থিতির পরপরই স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের তৎপরতায় ব্রিজটিতে সাময়িক সংস্কার কাজ করে। স্থানীয় চেয়ারম্যান আরিফ ও মেম্বার শাহীন ভাঙা অংশে লোহার পাত বসিয়ে প্রাথমিক মেরামতের উদ্যোগ নেন। এতে আপাতত চলাচল কিছুটা স্বস্তিদায়ক হলেও এলাকাবাসীর মধ্যে স্থায়ী সমাধান নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন- এই সংস্কার কতদিন টিকবে? তারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, যদি দ্রুত স্থায়ী সংস্কার বা নতুন ব্রিজ নির্মাণ না করা হয়, তবে আবারও আগের মতো ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করতে হবে।
জানা গেছে, নওগাঁ জেলার মহাদেবপুর উপজেলার মাতাজী–ফতেপুর এলাকায় ব্রিজটির যেসব স্থানে লোহার পাত ভাঙা ও মরিচা ছিল , সেগুলো পরিবর্তন করে সাময়িকভাবে সংস্কার করা হয়েছে। তবে স্থানীয়দের দাবি- ব্রিটিশ আমলের এই গুরুত্বপূর্ণ লোহার ব্রিজটি সংস্কারের পাশাপাশি কারিগরি পরীক্ষা লোড ক্যাপাসিটি নির্ধারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি পুনর্গঠন পরিকল্পনা জরুরি।
এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত স্থায়ী সংস্কার কিংবা নতুন ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে প্রতিদিনের ঝুঁকিপূর্ণ যাতায়াত থেকে তারা মুক্তি পেতে পারেন।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মহাদেবপুর উপজেলার মাতাজীহাট–ফতেপুর–কুন্দুনা পার্ক সড়কের সামনে অবস্থিত ব্রিটিশ আমলে নির্মিত একটি লোহার ব্রিজ দীর্ঘদিন ধরে ভাঙাচুরা ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ব্রিজটির একাধিক অংশ ভেঙে গেছে, বহু স্থানে মরিচা ধরে কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছে। ফলে ধানবোঝাই অটো, অটোরিকশা, মোটরসাইকেলসহ ছোট যানবাহন চলাচলে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে এবং প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে।
খবর পেয়ে জাতীয় দৈনিক নববানী মাল্টিমিডিয়া ও পত্রিকা-এর সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বেহাল চিত্র প্রত্যক্ষ করেন। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ থাকলেও জনপ্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এলাকাবাসীর অভিযোগ, একাধিকবার চেয়ারম্যান ও মেম্বারকে বিষয়টি জানানো হলেও তাতে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখা যায়নি।
স্থানীয়রা আরও জানান, এই ব্রিজটি ব্যবহার না করলে বিকল্প পথে চলাচল করতে প্রায় ১৫ কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ ঘুরে যেতে হয়- যা সময় ও অর্থ দুটোরই অপচয়। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, রোগী পরিবহন এবং কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণে এই ব্রিজটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সাংবাদিকদের উপস্থিতির পরপরই স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের তৎপরতায় ব্রিজটিতে সাময়িক সংস্কার কাজ করে। স্থানীয় চেয়ারম্যান আরিফ ও মেম্বার শাহীন ভাঙা অংশে লোহার পাত বসিয়ে প্রাথমিক মেরামতের উদ্যোগ নেন। এতে আপাতত চলাচল কিছুটা স্বস্তিদায়ক হলেও এলাকাবাসীর মধ্যে স্থায়ী সমাধান নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন- এই সংস্কার কতদিন টিকবে? তারা আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, যদি দ্রুত স্থায়ী সংস্কার বা নতুন ব্রিজ নির্মাণ না করা হয়, তবে আবারও আগের মতো ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করতে হবে।
জানা গেছে, নওগাঁ জেলার মহাদেবপুর উপজেলার মাতাজী–ফতেপুর এলাকায় ব্রিজটির যেসব স্থানে লোহার পাত ভাঙা ও মরিচা ছিল , সেগুলো পরিবর্তন করে সাময়িকভাবে সংস্কার করা হয়েছে। তবে স্থানীয়দের দাবি- ব্রিটিশ আমলের এই গুরুত্বপূর্ণ লোহার ব্রিজটি সংস্কারের পাশাপাশি কারিগরি পরীক্ষা লোড ক্যাপাসিটি নির্ধারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি পুনর্গঠন পরিকল্পনা জরুরি।
এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত স্থায়ী সংস্কার কিংবা নতুন ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে প্রতিদিনের ঝুঁকিপূর্ণ যাতায়াত থেকে তারা মুক্তি পেতে পারেন।

আপনার মতামত লিখুন