ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমে কোনো ধরনের বেআইনি লেনদেন বা দালালচক্রের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। সাম্প্রতিক এক সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়, কার্ড পেতে দালালকে অর্থ প্রদান করা, প্রতারণামূলক উপায়ে সুবিধাভোগীদের তালিকায় নাম ওঠানো কিংবা অতিরিক্ত সুবিধা নেওয়া এসব কর্মকাণ্ড দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। সরকারের লক্ষ্য প্রকৃত সুবিধাভোগী দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের কাছে এই সহায়তা পৌঁছে দেওয়া, আর কোনোভাবেই মধ্যস্বত্বভোগী বা অনিয়ম চক্রের সুযোগ সৃষ্টি না করা।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তদারকির দায়িত্বে থাকা সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কার্ড বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিতে ডিজিটাল যাচাই-বাছাই ও ত্রিস্তরীয় মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। কেউ অনিয়মের চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিক তদন্তে পাঠানো হবে এবং দোষী প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়। জনগণকে সতর্ক করে বলা হয় দালাল বা মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে কার্ড নিতে গেলে অর্থ হারানোসহ আইনি জটিলতায় পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। তাই কেউ বেআইনি প্রক্রিয়ার প্রস্তাব দিলে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
আগামী ১০ মার্চ থেকে পাইলট পর্যায়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু হবে। প্রথম ধাপে নির্বাচিত পরিবারগুলো মাসে ২৫০০ টাকা করে সহায়তা ও অন্যান্য সামাজিক সুরক্ষা সুবিধা পাবে। সরকারের আশা, এই কর্মসূচি কর্মহীন, দরিদ্র ও আর্থিক সংকটে থাকা পরিবারের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অনিয়ম প্রতিরোধে সরকারের কঠোর অবস্থান সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়াবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমে কোনো ধরনের বেআইনি লেনদেন বা দালালচক্রের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। সাম্প্রতিক এক সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়, কার্ড পেতে দালালকে অর্থ প্রদান করা, প্রতারণামূলক উপায়ে সুবিধাভোগীদের তালিকায় নাম ওঠানো কিংবা অতিরিক্ত সুবিধা নেওয়া এসব কর্মকাণ্ড দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। সরকারের লক্ষ্য প্রকৃত সুবিধাভোগী দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের কাছে এই সহায়তা পৌঁছে দেওয়া, আর কোনোভাবেই মধ্যস্বত্বভোগী বা অনিয়ম চক্রের সুযোগ সৃষ্টি না করা।
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির তদারকির দায়িত্বে থাকা সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কার্ড বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিতে ডিজিটাল যাচাই-বাছাই ও ত্রিস্তরীয় মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। কেউ অনিয়মের চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিক তদন্তে পাঠানো হবে এবং দোষী প্রমাণিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়। জনগণকে সতর্ক করে বলা হয় দালাল বা মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে কার্ড নিতে গেলে অর্থ হারানোসহ আইনি জটিলতায় পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। তাই কেউ বেআইনি প্রক্রিয়ার প্রস্তাব দিলে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
আগামী ১০ মার্চ থেকে পাইলট পর্যায়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু হবে। প্রথম ধাপে নির্বাচিত পরিবারগুলো মাসে ২৫০০ টাকা করে সহায়তা ও অন্যান্য সামাজিক সুরক্ষা সুবিধা পাবে। সরকারের আশা, এই কর্মসূচি কর্মহীন, দরিদ্র ও আর্থিক সংকটে থাকা পরিবারের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। অনিয়ম প্রতিরোধে সরকারের কঠোর অবস্থান সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়াবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আপনার মতামত লিখুন