তিস্তা নদীর বুকে আর কোনো স্বল্পপরিসরের বা বিক্ষিপ্ত প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে না বলে ঘোষণা করেছেন ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি বলেন, আগের কিছু প্রকল্প ছিল ছড়িয়ে-ছিটিয়ে এবং কার্যকারিতা কম থাকায় নদীর সমস্যার সমাধানে সঠিক ভূমিকা রাখতে পারেনি। বর্তমান সরকার এখন নদীর সমস্যা সমাধানে বড় ও সমন্বিত প্রকল্প গ্রহণের পরিকল্পনা করছে।
মন্ত্রী আরও জানান, তিনি নিজেই তিস্তা অঞ্চলের সন্তান হওয়ায় নদীপাড়ের মানুষের দাবি ও উদ্বেগকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। তিনি বলেন, “ছোট প্রকল্প নিলে ফলাফল সীমিত হয়। তাই আমরা একটি সমন্বিত, দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প নেব যা নদীর পানি নিয়ন্ত্রণ, বন্যা মোকাবেলা এবং নদীপাড়ের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে কার্যকর হবে।”
তিনি জানান, ইতোমধ্যে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনাও হয়েছে। মন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন যে, আর কোনো ছোট বা বিক্ষিপ্ত প্রকল্প নিলে সমস্যা সমাধান হবে না এবং নদীর সম্পূর্ণ প্রভাব বিবেচনা করে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে, চীনও তিস্তা প্রকল্পে অংশগ্রহণের সম্ভাবনা জানিয়েছে। তবে ত্রাণমন্ত্রীর মন্তব্য স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, বাংলাদেশ সরকার একটি বড়, সমন্বিত প্রকল্পের মাধ্যমে নদীর পানি, খনন, শাসন এবং নদীপাড়ের মানুষের দাবিকে একসঙ্গে সমাধান করতে চাইছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই পদক্ষেপ তিস্তা নদীর নিয়ন্ত্রণ, বন্যা মোকাবেলা এবং নদীর পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সরকারের এই উদ্যোগ নদী সংক্রান্ত সমস্যার স্থায়ী সমাধানের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
তিস্তা নদীর বুকে আর কোনো স্বল্পপরিসরের বা বিক্ষিপ্ত প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে না বলে ঘোষণা করেছেন ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি বলেন, আগের কিছু প্রকল্প ছিল ছড়িয়ে-ছিটিয়ে এবং কার্যকারিতা কম থাকায় নদীর সমস্যার সমাধানে সঠিক ভূমিকা রাখতে পারেনি। বর্তমান সরকার এখন নদীর সমস্যা সমাধানে বড় ও সমন্বিত প্রকল্প গ্রহণের পরিকল্পনা করছে।
মন্ত্রী আরও জানান, তিনি নিজেই তিস্তা অঞ্চলের সন্তান হওয়ায় নদীপাড়ের মানুষের দাবি ও উদ্বেগকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। তিনি বলেন, “ছোট প্রকল্প নিলে ফলাফল সীমিত হয়। তাই আমরা একটি সমন্বিত, দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প নেব যা নদীর পানি নিয়ন্ত্রণ, বন্যা মোকাবেলা এবং নদীপাড়ের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে কার্যকর হবে।”
তিনি জানান, ইতোমধ্যে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনাও হয়েছে। মন্ত্রী আশ্বস্ত করেছেন যে, আর কোনো ছোট বা বিক্ষিপ্ত প্রকল্প নিলে সমস্যা সমাধান হবে না এবং নদীর সম্পূর্ণ প্রভাব বিবেচনা করে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে, চীনও তিস্তা প্রকল্পে অংশগ্রহণের সম্ভাবনা জানিয়েছে। তবে ত্রাণমন্ত্রীর মন্তব্য স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, বাংলাদেশ সরকার একটি বড়, সমন্বিত প্রকল্পের মাধ্যমে নদীর পানি, খনন, শাসন এবং নদীপাড়ের মানুষের দাবিকে একসঙ্গে সমাধান করতে চাইছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই পদক্ষেপ তিস্তা নদীর নিয়ন্ত্রণ, বন্যা মোকাবেলা এবং নদীর পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সরকারের এই উদ্যোগ নদী সংক্রান্ত সমস্যার স্থায়ী সমাধানের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন