২০২৬ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সামিটে গৃহীত ‘নিউ দিল্লি ডিক্লারেশন অন এআই ইমপ্যাক্ট’ ইতোমধ্যে ৮৯টি দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থা সমর্থন করেছে। ৮৯তম স্বাক্ষরকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশও এই ঘোষণাকে সমর্থন জানিয়েছে। ঘোষণাপত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক কল্যাণ নিশ্চিত করার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
সমর্থনকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি, সুইজারল্যান্ড, ব্রাজিল, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কানাডা, ইসরায়েল, যুক্তরাজ্য, চীন, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, সৌদি আরব, সিঙ্গাপুর এবং বাংলাদেশ।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লিতে সমাপ্ত হওয়া এই সামিটে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যাপক অংশগ্রহণ দেখা গেছে। ‘সবার কল্যাণে, সবার সুখে’ নীতি অনুসরণ করে ঘোষণাপত্রে জোর দেওয়া হয়েছে যে, এআই-এর সুফল মানবজাতির মধ্যে সমভাবে বণ্টন করতে হবে।
ভারতীয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সামিট শিল্পখাতের নেতা, উদ্ভাবক ও স্টার্টআপগুলোর জন্য সংলাপ এবং এআই-চালিত সমাধান উপস্থাপনের একটি যৌথ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে। সমাপ্ত হওয়া অনুষ্ঠানে ৫০০-এর বেশি এআই নেতা, ১০০-এর বেশি প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, ১৫০ জন শিক্ষাবিদ ও গবেষক এবং প্রায় ৪০০ জন প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া, পাঁচ লাখেরও বেশি সাধারণ দর্শনার্থীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
আকাশবাণী নিউজকে সাক্ষাৎকারে পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রণালয়ের সদস্য সোনাক্ষী বর্ষ্ণী বলেন, “ভারতের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সামিট এআই খাতের গুরুত্বপূর্ণ অংশীজন ও উদ্ভাবকদের একত্রিত করেছে। সামিট দেশের পঞ্চায়েতি রাজ প্রতিষ্ঠানগুলোকে সহায়তা প্রদানকারী এআই-চালিত উদ্যোগগুলো প্রদর্শনের সুযোগ দিয়েছে।”
আইআইটি রোপারের পরিচালক অধ্যাপক রাজীব আহুজা বলেন, “এটি ভারতের এ ধরনের প্রথম উদ্যোগ এবং দেশের তরুণদের জন্য অত্যন্ত উপকারী। সামিট কৃষি খাতের উন্নয়ন ও ভারতীয় কৃষকদের সহায়তায় এআই ব্যবহারের উপায় নিয়ে আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করেছে।”

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
২০২৬ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সামিটে গৃহীত ‘নিউ দিল্লি ডিক্লারেশন অন এআই ইমপ্যাক্ট’ ইতোমধ্যে ৮৯টি দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থা সমর্থন করেছে। ৮৯তম স্বাক্ষরকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশও এই ঘোষণাকে সমর্থন জানিয়েছে। ঘোষণাপত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক কল্যাণ নিশ্চিত করার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
সমর্থনকারী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি, সুইজারল্যান্ড, ব্রাজিল, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কানাডা, ইসরায়েল, যুক্তরাজ্য, চীন, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, সৌদি আরব, সিঙ্গাপুর এবং বাংলাদেশ।
শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লিতে সমাপ্ত হওয়া এই সামিটে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যাপক অংশগ্রহণ দেখা গেছে। ‘সবার কল্যাণে, সবার সুখে’ নীতি অনুসরণ করে ঘোষণাপত্রে জোর দেওয়া হয়েছে যে, এআই-এর সুফল মানবজাতির মধ্যে সমভাবে বণ্টন করতে হবে।
ভারতীয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সামিট শিল্পখাতের নেতা, উদ্ভাবক ও স্টার্টআপগুলোর জন্য সংলাপ এবং এআই-চালিত সমাধান উপস্থাপনের একটি যৌথ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করেছে। সমাপ্ত হওয়া অনুষ্ঠানে ৫০০-এর বেশি এআই নেতা, ১০০-এর বেশি প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, ১৫০ জন শিক্ষাবিদ ও গবেষক এবং প্রায় ৪০০ জন প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া, পাঁচ লাখেরও বেশি সাধারণ দর্শনার্থীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
আকাশবাণী নিউজকে সাক্ষাৎকারে পঞ্চায়েতি রাজ মন্ত্রণালয়ের সদস্য সোনাক্ষী বর্ষ্ণী বলেন, “ভারতের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সামিট এআই খাতের গুরুত্বপূর্ণ অংশীজন ও উদ্ভাবকদের একত্রিত করেছে। সামিট দেশের পঞ্চায়েতি রাজ প্রতিষ্ঠানগুলোকে সহায়তা প্রদানকারী এআই-চালিত উদ্যোগগুলো প্রদর্শনের সুযোগ দিয়েছে।”
আইআইটি রোপারের পরিচালক অধ্যাপক রাজীব আহুজা বলেন, “এটি ভারতের এ ধরনের প্রথম উদ্যোগ এবং দেশের তরুণদের জন্য অত্যন্ত উপকারী। সামিট কৃষি খাতের উন্নয়ন ও ভারতীয় কৃষকদের সহায়তায় এআই ব্যবহারের উপায় নিয়ে আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করেছে।”

আপনার মতামত লিখুন