বিডিআর হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি পুনরায় কমিশন গঠন করে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে এবং কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী বিচার প্রক্রিয়া পরিচালিত হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, এটি আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারের অংশ। আমরা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি আরও বলেন, “আমাদের একটি মেসেজ স্পষ্ট—চেইন অব কমান্ড বজায় রাখতে হবে। নির্বাচনের আগে দেশে লটারির মাধ্যমে ওসি-এসপি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এতে অনেককে তাদের দক্ষতার সঙ্গে সামলাতে অযোগ্য স্থানে পাঠানো হয়েছে। সার্ভিস রেকর্ড অনুযায়ী এগুলো হওয়া উচিত ছিল। লটারির প্রক্রিয়াও স্বচ্ছ ছিল না। আমরা এগুলো ঠিক করার জন্য কাজ করবো।”
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ৫ আগস্টে কিছু মামলায় সুবিধাবাদী গ্রুপ সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলে দিয়েছে। এসব বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে রিপোর্ট তৈরি করা হবে। এ কাজগুলো পুলিশ বাস্তবায়ন করবে। তিনি জোর দেন, পুলিশের কাজের মধ্যে কেউ অবৈধভাবে বাধা দিতে পারবে না, তবে পুলিশের জবাবদিহিতা নিশ্চিত রাখতে হবে যাতে মানুষ হয়রানির শিকার না হয়। রাজনৈতিক কারণে বিধির বাইরে পুলিশ সুপাররা কাউকে প্রোটোকল না দেয়ার নির্দেশও বৈঠকে দেওয়া হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিডিআর হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি পুনরায় কমিশন গঠন করে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে এবং কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী বিচার প্রক্রিয়া পরিচালিত হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, এটি আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারের অংশ। আমরা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি আরও বলেন, “আমাদের একটি মেসেজ স্পষ্ট—চেইন অব কমান্ড বজায় রাখতে হবে। নির্বাচনের আগে দেশে লটারির মাধ্যমে ওসি-এসপি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এতে অনেককে তাদের দক্ষতার সঙ্গে সামলাতে অযোগ্য স্থানে পাঠানো হয়েছে। সার্ভিস রেকর্ড অনুযায়ী এগুলো হওয়া উচিত ছিল। লটারির প্রক্রিয়াও স্বচ্ছ ছিল না। আমরা এগুলো ঠিক করার জন্য কাজ করবো।”
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ৫ আগস্টে কিছু মামলায় সুবিধাবাদী গ্রুপ সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলে দিয়েছে। এসব বিষয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে রিপোর্ট তৈরি করা হবে। এ কাজগুলো পুলিশ বাস্তবায়ন করবে। তিনি জোর দেন, পুলিশের কাজের মধ্যে কেউ অবৈধভাবে বাধা দিতে পারবে না, তবে পুলিশের জবাবদিহিতা নিশ্চিত রাখতে হবে যাতে মানুষ হয়রানির শিকার না হয়। রাজনৈতিক কারণে বিধির বাইরে পুলিশ সুপাররা কাউকে প্রোটোকল না দেয়ার নির্দেশও বৈঠকে দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন