নড়াইল সদর উপজেলার বড়কুলা গ্রামে সোমবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে স্থানীয় দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন নিহত ও ১২ জন আহত হয়েছেন। উপজেলার সিংগাশোলপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খায়ের মোল্যা ও নাগরিক খলিল মোল্যা‑এর সংঘর্ষের পেছনে দীর্ঘদিনের আধিপত্য বিস্তার সমস্যাকে কেন্দ্র বলে পুলিশ জানিয়েছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার ভোরে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দুইদল মুখোমুখি হয় এবং নৈরাজ্য সৃষ্টি হয়। ঘটনাস্থলেই খলিল মোল্যা গ্রুপের রহমান খলিল শেখ, তার ছেলে তাহাজ্জুদ শেখ, ফেরদৌস শেখ ও তার ছেলে মুন্না শেখ নিহত হন। এরপর গুরুতর আহত অবস্থায় আরেক পক্ষের সদস্য ওসিবুর ফকিরকে উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনা প্রসঙ্গে নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ওলি মিয়া বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে খায়ের মোল্যা ও খলিল মোল্যা‑এর অনুসারীদের মধ্যে বিরোধ ছিল। আধিপত্য বিস্তারের মত বিষয় নিয়ে কোন্দল অবস্থান থেকে আজকের সংঘর্ষ ছাড়িয়ে গেছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে খুলনা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।”
আহতদের মধ্যে চারজনকে খুলনা মেডিকেলে রেফার করা হয়েছে এবং বাকি আটজন নড়াইল সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে কেউ কেউকে গুরুতর অবস্থায় থাকার খবর পাওয়া গেছে, যদিও আহতদের পুরো নাম ও পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।
সংঘর্ষের পর এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা ভয়ভীতির সঙ্গে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং পুলিশ পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে কাজ করছে। স্থানীয়দের দাবি, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতা, জমি ও ব্যবসায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই অংশে বিবাদ সৃষ্টি হয়েছে, যেটি বারবার উত্তেজনার রূপ নেয়।
এ বিষয়ে নড়াইল জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও আরও সংঘর্ষ এড়াতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে তারা এবং হতাহতদের খানিক দ্রুত প্রতিকার, ঘটনার তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নড়াইল সদর উপজেলার বড়কুলা গ্রামে সোমবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে স্থানীয় দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন নিহত ও ১২ জন আহত হয়েছেন। উপজেলার সিংগাশোলপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খায়ের মোল্যা ও নাগরিক খলিল মোল্যা‑এর সংঘর্ষের পেছনে দীর্ঘদিনের আধিপত্য বিস্তার সমস্যাকে কেন্দ্র বলে পুলিশ জানিয়েছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার ভোরে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দুইদল মুখোমুখি হয় এবং নৈরাজ্য সৃষ্টি হয়। ঘটনাস্থলেই খলিল মোল্যা গ্রুপের রহমান খলিল শেখ, তার ছেলে তাহাজ্জুদ শেখ, ফেরদৌস শেখ ও তার ছেলে মুন্না শেখ নিহত হন। এরপর গুরুতর আহত অবস্থায় আরেক পক্ষের সদস্য ওসিবুর ফকিরকে উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনা প্রসঙ্গে নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ওলি মিয়া বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে খায়ের মোল্যা ও খলিল মোল্যা‑এর অনুসারীদের মধ্যে বিরোধ ছিল। আধিপত্য বিস্তারের মত বিষয় নিয়ে কোন্দল অবস্থান থেকে আজকের সংঘর্ষ ছাড়িয়ে গেছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে খুলনা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।”
আহতদের মধ্যে চারজনকে খুলনা মেডিকেলে রেফার করা হয়েছে এবং বাকি আটজন নড়াইল সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে কেউ কেউকে গুরুতর অবস্থায় থাকার খবর পাওয়া গেছে, যদিও আহতদের পুরো নাম ও পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।
সংঘর্ষের পর এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা ভয়ভীতির সঙ্গে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং পুলিশ পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে কাজ করছে। স্থানীয়দের দাবি, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতা, জমি ও ব্যবসায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই অংশে বিবাদ সৃষ্টি হয়েছে, যেটি বারবার উত্তেজনার রূপ নেয়।
এ বিষয়ে নড়াইল জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও আরও সংঘর্ষ এড়াতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে তারা এবং হতাহতদের খানিক দ্রুত প্রতিকার, ঘটনার তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন