ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার চরলাপাং গ্রামে মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের প্রতিবাদ করায় গ্রামবাসীর ওপর হামলা ও গুলি চালিয়েছে বালু ব্যবসায়ীদের লোকজন। রবিবার সকালে সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন গুলিবিদ্ধসহ প্রায় ২০ জন আহত হয়েছেন।
গুলিবিদ্ধদের মধ্যে রয়েছেন—সিয়াম আহমেদ, ইব্রাহিম খলিল, নূরুল আমীন, রূপ মিয়া, স্বপন মিয়া, শরিফ মিয়া, জুলাস মিয়া, শাকাল মিয়া, সামত মিয়া ও সফর মিয়া। আহতদের নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে গুরুতর আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
স্থানীয়রা জানান, চরলাপাং এলাকার মেঘনা নদীতে দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্র অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে। এতে নদীভাঙনে তীরবর্তী গ্রামগুলোর বসতভিটা ও ফসলি জমি মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। প্রতিবাদ করায় গ্রামবাসীদের ওপর হামলা চালানো হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাসিরাবাদের ব্যবসায়ী শাহদাদ হোসেন পায়েলের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স সামিউল ট্রেডার্স’ বালু মহালের ইজারা পেয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ইজারার শর্ত ভঙ্গ করে সীমানা অতিক্রম করে দিন-রাত বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।
ঘটনার পর পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান জানান, ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে সংসদ সদস্য এম. এ. মান্নান বলেন, বালু সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার চরলাপাং গ্রামে মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের প্রতিবাদ করায় গ্রামবাসীর ওপর হামলা ও গুলি চালিয়েছে বালু ব্যবসায়ীদের লোকজন। রবিবার সকালে সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন গুলিবিদ্ধসহ প্রায় ২০ জন আহত হয়েছেন।
গুলিবিদ্ধদের মধ্যে রয়েছেন—সিয়াম আহমেদ, ইব্রাহিম খলিল, নূরুল আমীন, রূপ মিয়া, স্বপন মিয়া, শরিফ মিয়া, জুলাস মিয়া, শাকাল মিয়া, সামত মিয়া ও সফর মিয়া। আহতদের নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে গুরুতর আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
স্থানীয়রা জানান, চরলাপাং এলাকার মেঘনা নদীতে দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্র অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে। এতে নদীভাঙনে তীরবর্তী গ্রামগুলোর বসতভিটা ও ফসলি জমি মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। প্রতিবাদ করায় গ্রামবাসীদের ওপর হামলা চালানো হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাসিরাবাদের ব্যবসায়ী শাহদাদ হোসেন পায়েলের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স সামিউল ট্রেডার্স’ বালু মহালের ইজারা পেয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ইজারার শর্ত ভঙ্গ করে সীমানা অতিক্রম করে দিন-রাত বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।
ঘটনার পর পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান জানান, ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে সংসদ সদস্য এম. এ. মান্নান বলেন, বালু সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন