ত্রয়োদশ নির্বাচনের আগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র প্রচারণার একটি বড় অংশ জুড়ে ছিল দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্তদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’, যেখান থেকে পাওয়া যাবে নগদ অর্থ সহায়তা। সরকার গঠনের পর সেই আশ্বাস বাস্তবায়নে ১৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এই ফ্যামিলি কার্ড পেতে হলে যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে আবেদন করতে হবে। তবে কীভাবে আবেদন করতে হবে, তা এখনো অনেকের কাছে স্পষ্ট নয়। আবেদন করতে কী কী লাগবে, তা নিয়েও রয়েছে প্রশ্ন। বিষয়গুলো নিয়ে জানা গেছে নিচের তথ্য।
ফ্যামিলি কার্ডের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি)-এর ভিত্তিতে একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেস তৈরি করা হবে। এতে প্রতিটি পরিবারের তথ্য সংরক্ষিত থাকবে। এর মাধ্যমে অনিয়ম, ভুয়া তালিকা ও মধ্যস্বত্বভোগীর সুযোগ কমানো সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
প্রথম ধাপে দেশের নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে কার্যক্রম শুরু হবে। পরবর্তীতে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে উপকারভোগীদের তালিকা তৈরি করে পর্যায়ক্রমে সারা দেশে কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হবে।
যদিও পূর্ণাঙ্গ আবেদন প্রক্রিয়া এখনো শুরু হয়নি, তবু আগাম প্রস্তুতি হিসেবে সম্ভাব্য আবেদনকারীদের কিছু কাগজপত্র প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে। এগুলো হলো— আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি এবং একটি সচল মোবাইল নম্বর।
পাইলট কার্যক্রম শেষে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয় থেকে সরাসরি আবেদন ফর্ম সংগ্রহ করা যাবে। পাশাপাশি ঘরে বসে আবেদন করার সুবিধা দিতে একটি অনলাইন পোর্টাল চালুর প্রস্তুতিও চলছে।
এ কর্মসূচির আওতায় নির্বাচিত পরিবারগুলোকে নিয়মিত নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে। বিশেষভাবে পরিবারের নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর হাতে এই অর্থ পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যা নারীর ক্ষমতায়নেও ভূমিকা রাখবে।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যমান অনেক সামাজিক ভাতার তুলনায় ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় সহায়তার পরিমাণ বেশি হতে পারে। পাশাপাশি সহায়তা বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে।
সরকারের আশা, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে অর্থনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলো সরাসরি উপকৃত হবে এবং সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যুক্ত হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ নির্বাচনের আগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র প্রচারণার একটি বড় অংশ জুড়ে ছিল দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্তদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’, যেখান থেকে পাওয়া যাবে নগদ অর্থ সহায়তা। সরকার গঠনের পর সেই আশ্বাস বাস্তবায়নে ১৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এই ফ্যামিলি কার্ড পেতে হলে যথাযথ প্রক্রিয়া মেনে আবেদন করতে হবে। তবে কীভাবে আবেদন করতে হবে, তা এখনো অনেকের কাছে স্পষ্ট নয়। আবেদন করতে কী কী লাগবে, তা নিয়েও রয়েছে প্রশ্ন। বিষয়গুলো নিয়ে জানা গেছে নিচের তথ্য।
ফ্যামিলি কার্ডের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি)-এর ভিত্তিতে একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেস তৈরি করা হবে। এতে প্রতিটি পরিবারের তথ্য সংরক্ষিত থাকবে। এর মাধ্যমে অনিয়ম, ভুয়া তালিকা ও মধ্যস্বত্বভোগীর সুযোগ কমানো সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
প্রথম ধাপে দেশের নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে কার্যক্রম শুরু হবে। পরবর্তীতে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে উপকারভোগীদের তালিকা তৈরি করে পর্যায়ক্রমে সারা দেশে কর্মসূচি সম্প্রসারণ করা হবে।
যদিও পূর্ণাঙ্গ আবেদন প্রক্রিয়া এখনো শুরু হয়নি, তবু আগাম প্রস্তুতি হিসেবে সম্ভাব্য আবেদনকারীদের কিছু কাগজপত্র প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে। এগুলো হলো— আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি এবং একটি সচল মোবাইল নম্বর।
পাইলট কার্যক্রম শেষে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয় থেকে সরাসরি আবেদন ফর্ম সংগ্রহ করা যাবে। পাশাপাশি ঘরে বসে আবেদন করার সুবিধা দিতে একটি অনলাইন পোর্টাল চালুর প্রস্তুতিও চলছে।
এ কর্মসূচির আওতায় নির্বাচিত পরিবারগুলোকে নিয়মিত নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে। বিশেষভাবে পরিবারের নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর হাতে এই অর্থ পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যা নারীর ক্ষমতায়নেও ভূমিকা রাখবে।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যমান অনেক সামাজিক ভাতার তুলনায় ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় সহায়তার পরিমাণ বেশি হতে পারে। পাশাপাশি সহায়তা বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে।
সরকারের আশা, এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে অর্থনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলো সরাসরি উপকৃত হবে এবং সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যুক্ত হবে।

আপনার মতামত লিখুন