আসন্ন ঈদ উপলক্ষে নগরীর হাসান মার্কেট-এর দোকান মালিক ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মোবাইল চুরি ও স্বর্ণালংকার ছিনতাই রোধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন পুলিশ কমিশনার।
সভায় তিনি বলেন, ঈদের সময় মার্কেটে অতিরিক্ত ভিড়ের সুযোগ নিয়ে একটি চক্র নারী ক্রেতাদের ব্যাগ, মোবাইল ফোন ও গলার স্বর্ণের হার চুরি করে থাকে। এসব অপরাধ ঠেকাতে প্রতিটি মার্কেটের সামনে ও ভেতরে সাদা পোশাকে পুলিশ মোতায়েন থাকবে।
তিনি ব্যবসায়ী ও মার্কেটের নিরাপত্তাকর্মীদের সতর্ক করে বলেন, সন্দেহজনক কাউকে দেখলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাতে হবে। বিশেষ করে নারী ক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ঈদের কেনাকাটায় সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো মা-বোনদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা।
রাতের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে পুলিশ কমিশনার বলেন, দায়িত্বে থাকা প্রহরীরা যেন সর্বদা সজাগ থাকেন, নিয়মিত বাঁশি বাজিয়ে টহল দেন এবং আত্মরক্ষার জন্য লাঠি সঙ্গে রাখেন। তবে কোনো চোর বা সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করলে অপ্রয়োজনীয় মারধর না করার নির্দেশনাও দেন তিনি।
এছাড়া মার্কেট এলাকায় অবৈধ গাড়ি পার্কিং বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং করে যানজট সৃষ্টি করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন।
তিনি আরও বলেন, ‘জিনিয়া’ অ্যাপের মাধ্যমে যে কেউ দ্রুত পুলিশের কাছে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে পারবেন।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ব্যবসায়ীরা পুলিশের নির্দেশনা মেনে চলার আশ্বাস দেন এবং ঈদের সময় ক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আসন্ন ঈদ উপলক্ষে নগরীর হাসান মার্কেট-এর দোকান মালিক ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মোবাইল চুরি ও স্বর্ণালংকার ছিনতাই রোধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন পুলিশ কমিশনার।
সভায় তিনি বলেন, ঈদের সময় মার্কেটে অতিরিক্ত ভিড়ের সুযোগ নিয়ে একটি চক্র নারী ক্রেতাদের ব্যাগ, মোবাইল ফোন ও গলার স্বর্ণের হার চুরি করে থাকে। এসব অপরাধ ঠেকাতে প্রতিটি মার্কেটের সামনে ও ভেতরে সাদা পোশাকে পুলিশ মোতায়েন থাকবে।
তিনি ব্যবসায়ী ও মার্কেটের নিরাপত্তাকর্মীদের সতর্ক করে বলেন, সন্দেহজনক কাউকে দেখলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাতে হবে। বিশেষ করে নারী ক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ঈদের কেনাকাটায় সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো মা-বোনদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা।
রাতের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে পুলিশ কমিশনার বলেন, দায়িত্বে থাকা প্রহরীরা যেন সর্বদা সজাগ থাকেন, নিয়মিত বাঁশি বাজিয়ে টহল দেন এবং আত্মরক্ষার জন্য লাঠি সঙ্গে রাখেন। তবে কোনো চোর বা সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করলে অপ্রয়োজনীয় মারধর না করার নির্দেশনাও দেন তিনি।
এছাড়া মার্কেট এলাকায় অবৈধ গাড়ি পার্কিং বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং করে যানজট সৃষ্টি করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন।
তিনি আরও বলেন, ‘জিনিয়া’ অ্যাপের মাধ্যমে যে কেউ দ্রুত পুলিশের কাছে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে পারবেন।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ব্যবসায়ীরা পুলিশের নির্দেশনা মেনে চলার আশ্বাস দেন এবং ঈদের সময় ক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন