প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল দ্রুত চালুর নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এবং বেবিচক (CAAB)-এর সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিকরা। মন্ত্রী আফরোজা খানম জানান, প্রধানমন্ত্রী চাইছেন টার্মিনালটি যত দ্রুত সম্ভব কার্যকর করা হোক। এছাড়া বৈঠকে টার্মিনালের বাকি কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, এই প্রকল্পটি ২০১৭ সালে অনুমোদিত হয়েছিল এবং ২০১৯ সালের ডিসেম্বর থেকে নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এর আংশিক উদ্বোধন ইতিমধ্যেই ২০২৩ সালে করা হয়েছিল, কিন্তু পূর্ণ কার্যক্রম চালু করা সম্ভব হয়নি। প্রধানমন্ত্রী আজকের নির্দেশনার ফলে আশা করা যাচ্ছে, বাকি কাজগুলো দ্রুত সম্পন্ন করে টার্মিনালটি পুরোপুরি চালু করা সম্ভব হবে।
এখনও নির্দিষ্ট উদ্বোধনের তারিখ ঘোষণা করা হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুত কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে দেশের প্রধান বিমানবন্দরটির যাত্রী পরিবহন ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে, যা দেশের বিমানপর্যটন ও বাণিজ্য ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল দ্রুত চালুর নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এবং বেবিচক (CAAB)-এর সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিকরা। মন্ত্রী আফরোজা খানম জানান, প্রধানমন্ত্রী চাইছেন টার্মিনালটি যত দ্রুত সম্ভব কার্যকর করা হোক। এছাড়া বৈঠকে টার্মিনালের বাকি কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, এই প্রকল্পটি ২০১৭ সালে অনুমোদিত হয়েছিল এবং ২০১৯ সালের ডিসেম্বর থেকে নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এর আংশিক উদ্বোধন ইতিমধ্যেই ২০২৩ সালে করা হয়েছিল, কিন্তু পূর্ণ কার্যক্রম চালু করা সম্ভব হয়নি। প্রধানমন্ত্রী আজকের নির্দেশনার ফলে আশা করা যাচ্ছে, বাকি কাজগুলো দ্রুত সম্পন্ন করে টার্মিনালটি পুরোপুরি চালু করা সম্ভব হবে।
এখনও নির্দিষ্ট উদ্বোধনের তারিখ ঘোষণা করা হয়নি। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুত কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে দেশের প্রধান বিমানবন্দরটির যাত্রী পরিবহন ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনার ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে, যা দেশের বিমানপর্যটন ও বাণিজ্য ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন