দেশের জলসেচ ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে সরকার একটি বৃহৎ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন জানিয়েছেন, সরকার সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, যা শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে অনেক খাল ভরাট হওয়ায় পানি চলাচলে বিঘ্ন ঘটেছে। খালগুলো পুনঃখননের মাধ্যমে আমরা জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি কমাতে চাই এবং কৃষিক্ষেত্রে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে চাই।”
বরিশাল অঞ্চলের গৌরনদী উপজেলা ইতোমধ্যেই পুনঃখননের কাজ শুরু করেছে। খাল খননের পাশাপাশি খালের দুই পাশের বনায়ন ও গাছরোপণ কার্যক্রমও নেওয়া হচ্ছে, যা পরিবেশ সংরক্ষণে সহায়ক হবে। পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা এই কার্যক্রম তদারকি করছেন।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, পুরো কর্মসূচি আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাস্তবায়ন করা হবে। মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, খাল খননের ফলে শুধু পানি চলাচল স্বাভাবিক হবে না, বরং জোয়ার‑ভাটার পানি সহজে কৃষি জমিতে পৌঁছাবে, যা কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতেও সহায়ক হবে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দীর্ঘমেয়াদে এই খাল খনন কর্মসূচি দেশের জল ব্যবস্থাপনা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং কৃষি উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। তবে মাঠ পর্যায়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য স্থানীয় সহযোগিতা ও প্রশাসনিক সমন্বয় এক বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়েছে।
সরকারের এই উদ্যোগ দেশের জলসেচ ও পরিবেশ রক্ষায় এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে ধরা হচ্ছে, যা আগামী দিনে দেশের কৃষি ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দেশের জলসেচ ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে সরকার একটি বৃহৎ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন জানিয়েছেন, সরকার সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন ও পুনঃখননের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, যা শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে অনেক খাল ভরাট হওয়ায় পানি চলাচলে বিঘ্ন ঘটেছে। খালগুলো পুনঃখননের মাধ্যমে আমরা জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি কমাতে চাই এবং কৃষিক্ষেত্রে সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে চাই।”
বরিশাল অঞ্চলের গৌরনদী উপজেলা ইতোমধ্যেই পুনঃখননের কাজ শুরু করেছে। খাল খননের পাশাপাশি খালের দুই পাশের বনায়ন ও গাছরোপণ কার্যক্রমও নেওয়া হচ্ছে, যা পরিবেশ সংরক্ষণে সহায়ক হবে। পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা এই কার্যক্রম তদারকি করছেন।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, পুরো কর্মসূচি আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাস্তবায়ন করা হবে। মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, খাল খননের ফলে শুধু পানি চলাচল স্বাভাবিক হবে না, বরং জোয়ার‑ভাটার পানি সহজে কৃষি জমিতে পৌঁছাবে, যা কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতেও সহায়ক হবে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দীর্ঘমেয়াদে এই খাল খনন কর্মসূচি দেশের জল ব্যবস্থাপনা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ এবং কৃষি উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। তবে মাঠ পর্যায়ে প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য স্থানীয় সহযোগিতা ও প্রশাসনিক সমন্বয় এক বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়েছে।
সরকারের এই উদ্যোগ দেশের জলসেচ ও পরিবেশ রক্ষায় এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে ধরা হচ্ছে, যা আগামী দিনে দেশের কৃষি ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।

আপনার মতামত লিখুন