ঢাকায় সচিবালয়ে রোববার সকালে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার বন্ধুত্বের বন্ধন আগামী দিনে আরও শক্তিশালী রূপ নেবে।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) সকাল ১১টায় সচিবালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সৌদি রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের জন্য তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিনন্দন জানান এবং রিয়াদের পক্ষ থেকে সব ক্ষেত্রে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।
বৈঠকে উভয় পক্ষ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেন। সৌদি রাষ্ট্রদূত নতুন সরকারের প্রতি সৌদি আরবের ইতিবাচক মনোভাব ও সদিচ্ছার কথা স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন।
এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর পাশে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশের জন্য সৌদি আরব একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক অংশীদার। বিশেষ করে প্রবাসী কর্মসংস্থান ও রেমিট্যান্স প্রবাহের বিচারে সৌদি আরব বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ উৎস দেশ। নতুন সরকার গঠনের পর এই উচ্চ পর্যায়ের কূটনৈতিক যোগাযোগকে সম্পর্কের ধারাবাহিকতা ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ইঙ্গিত হিসেবে বিশ্লেষকরা দেখছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঢাকায় সচিবালয়ে রোববার সকালে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার বন্ধুত্বের বন্ধন আগামী দিনে আরও শক্তিশালী রূপ নেবে।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) সকাল ১১টায় সচিবালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সৌদি রাষ্ট্রদূত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের জন্য তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিনন্দন জানান এবং রিয়াদের পক্ষ থেকে সব ক্ষেত্রে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।
বৈঠকে উভয় পক্ষ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেন। সৌদি রাষ্ট্রদূত নতুন সরকারের প্রতি সৌদি আরবের ইতিবাচক মনোভাব ও সদিচ্ছার কথা স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন।
এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর পাশে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশের জন্য সৌদি আরব একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক অংশীদার। বিশেষ করে প্রবাসী কর্মসংস্থান ও রেমিট্যান্স প্রবাহের বিচারে সৌদি আরব বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষ উৎস দেশ। নতুন সরকার গঠনের পর এই উচ্চ পর্যায়ের কূটনৈতিক যোগাযোগকে সম্পর্কের ধারাবাহিকতা ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ইঙ্গিত হিসেবে বিশ্লেষকরা দেখছেন।

আপনার মতামত লিখুন