আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল‑১ শুক্রবার নির্দেশ দিয়েছে যে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং পলাতক অবস্থায় থাকা আরও ৬ জন আসামিকে আত্মসমর্পণের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে। এই আদেশ আসে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার অংশ হিসেবে, যেখানে অভিযোগ আছে তারা ৯ তরুণকে হত্যার ঘটনায় দায়ী।
আদালতের বেঞ্চের নেতৃত্ব দেন চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার। বেঞ্চের নির্দেশ অনুযায়ী, আত্মসমর্পণ করা আসামিদের আগামী ৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে আদালতে হাজির হতে হবে। আদেশে বলা হয়েছে, মামলায় আজ আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ থাকলেও ২ জন গ্রেফতার অবস্থায় থাকায় বাকিদের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে আত্মসমর্পণের সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।
মামলার গ্রেফতার আসামির মধ্যে রয়েছেন সাবেক আইজিপি একেএম শহিদুল হক এবং ডিএমপি’র সাবেক কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান মিয়া। পলাতক এবং আত্মসমর্পণের নির্দেশপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, অতিরিক্ত কমিশনার শেখ মুহম্মদ মারুফ হাসান, সিটিটিসি প্রধান মনিরুল ইসলাম, যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) কৃষ্ণ পদ রায়, যুগ্ম কমিশনার (ডিবি) আব্দুল বাতেন, এবং ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা।
মামলার পটভূমি অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ২৫ জুলাই রাতে ঢাকার কল্যাণপুরের জাহাজবাড়ি এলাকায় পুলিশের সিটি টাস্ক ফোর্স (CTU) অভিযানে ৯ জন তরুণকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এই ঘটনার কারণে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় মোট আসামি ৮ জন; আজ ২ জন গ্রেফতার, বাকি ৬ জন পলাতক।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল‑১-এর এই নির্দেশ বাংলাদেশের আইনি ও বিচার প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পলাতক আসামিদের আত্মসমর্পণ করার সুযোগ দিলে তারা আদালতে হাজির হতে পারবেন এবং মামলার বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে যাবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল‑১ শুক্রবার নির্দেশ দিয়েছে যে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং পলাতক অবস্থায় থাকা আরও ৬ জন আসামিকে আত্মসমর্পণের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে। এই আদেশ আসে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার অংশ হিসেবে, যেখানে অভিযোগ আছে তারা ৯ তরুণকে হত্যার ঘটনায় দায়ী।
আদালতের বেঞ্চের নেতৃত্ব দেন চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার। বেঞ্চের নির্দেশ অনুযায়ী, আত্মসমর্পণ করা আসামিদের আগামী ৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে আদালতে হাজির হতে হবে। আদেশে বলা হয়েছে, মামলায় আজ আদালতে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ থাকলেও ২ জন গ্রেফতার অবস্থায় থাকায় বাকিদের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে আত্মসমর্পণের সুযোগ নিশ্চিত করা হবে।
মামলার গ্রেফতার আসামির মধ্যে রয়েছেন সাবেক আইজিপি একেএম শহিদুল হক এবং ডিএমপি’র সাবেক কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান মিয়া। পলাতক এবং আত্মসমর্পণের নির্দেশপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, অতিরিক্ত কমিশনার শেখ মুহম্মদ মারুফ হাসান, সিটিটিসি প্রধান মনিরুল ইসলাম, যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) কৃষ্ণ পদ রায়, যুগ্ম কমিশনার (ডিবি) আব্দুল বাতেন, এবং ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা।
মামলার পটভূমি অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ২৫ জুলাই রাতে ঢাকার কল্যাণপুরের জাহাজবাড়ি এলাকায় পুলিশের সিটি টাস্ক ফোর্স (CTU) অভিযানে ৯ জন তরুণকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এই ঘটনার কারণে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় মোট আসামি ৮ জন; আজ ২ জন গ্রেফতার, বাকি ৬ জন পলাতক।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল‑১-এর এই নির্দেশ বাংলাদেশের আইনি ও বিচার প্রক্রিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পলাতক আসামিদের আত্মসমর্পণ করার সুযোগ দিলে তারা আদালতে হাজির হতে পারবেন এবং মামলার বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে যাবে।

আপনার মতামত লিখুন