ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া মহাসড়কের ঝিনাইদহ অংশের অন্তত পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে রাস্তার দুই পাশ দখল করে গাছের গুঁড়ি ফেলে ব্যবসা করছেন স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ীরা। ব্যস্ততম এই মহাসড়কের ওয়াকওয়ে বা হাঁটাচলার পথ দখল হয়ে যাওয়ায় চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে দূরপাল্লার যানবাহন ও পথচারীরা।
শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ঝিনাইদহের কুলচারা থেকে চড়িয়ারবিল বাজার পর্যন্ত মহাসড়কের দুই পাশে এই দখলের চিত্র দেখা গেছে। বিশেষ করে চড়িয়ারবিল, গাড়াগঞ্জ, ভাটই, চাঁদপুর মোড় এবং কুলচারা মোড়ে সড়কের ওপরেই গাছের বড় বড় গুঁড়ি ও জ্বালানি কাঠ স্তূপ করে রাখা হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, চড়িয়ারবিল বাজারের আনসার উদ্দিন মাস্টারের স মিলসহ ওই এলাকার একাধিক মিলের আশেপাশে অন্তত ২০ জন ব্যবসায়ী নিয়মিত মহাসড়কের ওপর কাঠ কেনাবেচা করছেন। উত্তরবঙ্গ থেকে খুলনা ও মোংলা বন্দরগামী হাজার হাজার যানবাহন প্রতিদিন এই পথে চলাচল করে। সড়কের মূল অংশ সংকুচিত হয়ে পড়ায় ছোট যানবাহন ও ভ্যানচালকদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মূল সড়কের মাঝখান দিয়ে চলতে হচ্ছে।
স্থানীয় ভ্যানচালক সাহেব আলী অভিযোগ করেন, সড়কের দুই পাশে বিশালাকৃতির গুঁড়ি থাকায় সাইড দেওয়ার কোনো সুযোগ থাকে না। হাশেম আলী ও লাভলুর রহমানের মতো ব্যবসায়ীরা স্বীকার করেছেন যে, কেউ নিষেধ না করায় তারা মিলের পাশের এই সরকারি রাস্তাটিকেই ব্যবসার কাজে ব্যবহার করছেন। তারা আরও জানান, কাঠের গুঁড়ি দেখে ক্রেতারা পছন্দ করেন বলেই তারা এগুলো রাস্তার ধারে সাজিয়ে রাখেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গাড়াগঞ্জ ও ভাটই বাজারেও একই অবস্থা। প্রভাবশালী ফার্নিচার ব্যবসায়ী ও স মিলের মালিকরা নিষেধ করার পরেও রাস্তা থেকে কাঠ সরাচ্ছেন না। কোনো কোনো ক্ষেত্রে মিলের জায়গা সংকটের অজুহাত দিয়ে রাস্তার ওপরই কাঠ ফেলে রাখা হচ্ছে।
আরাপপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস জানান, মহাসড়কের ওপর বা ধারে যেকোনো ধরনের বাণিজ্যিক পণ্য রাখা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং এটি সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা বেশ কয়েকটি স্থানে অবৈধভাবে কাঠের গুঁড়ি রাখার অভিযোগ পেয়েছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে দ্রুতই এসব দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।”

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঝিনাইদহ-কুষ্টিয়া মহাসড়কের ঝিনাইদহ অংশের অন্তত পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে রাস্তার দুই পাশ দখল করে গাছের গুঁড়ি ফেলে ব্যবসা করছেন স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ীরা। ব্যস্ততম এই মহাসড়কের ওয়াকওয়ে বা হাঁটাচলার পথ দখল হয়ে যাওয়ায় চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে দূরপাল্লার যানবাহন ও পথচারীরা।
শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ঝিনাইদহের কুলচারা থেকে চড়িয়ারবিল বাজার পর্যন্ত মহাসড়কের দুই পাশে এই দখলের চিত্র দেখা গেছে। বিশেষ করে চড়িয়ারবিল, গাড়াগঞ্জ, ভাটই, চাঁদপুর মোড় এবং কুলচারা মোড়ে সড়কের ওপরেই গাছের বড় বড় গুঁড়ি ও জ্বালানি কাঠ স্তূপ করে রাখা হয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, চড়িয়ারবিল বাজারের আনসার উদ্দিন মাস্টারের স মিলসহ ওই এলাকার একাধিক মিলের আশেপাশে অন্তত ২০ জন ব্যবসায়ী নিয়মিত মহাসড়কের ওপর কাঠ কেনাবেচা করছেন। উত্তরবঙ্গ থেকে খুলনা ও মোংলা বন্দরগামী হাজার হাজার যানবাহন প্রতিদিন এই পথে চলাচল করে। সড়কের মূল অংশ সংকুচিত হয়ে পড়ায় ছোট যানবাহন ও ভ্যানচালকদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মূল সড়কের মাঝখান দিয়ে চলতে হচ্ছে।
স্থানীয় ভ্যানচালক সাহেব আলী অভিযোগ করেন, সড়কের দুই পাশে বিশালাকৃতির গুঁড়ি থাকায় সাইড দেওয়ার কোনো সুযোগ থাকে না। হাশেম আলী ও লাভলুর রহমানের মতো ব্যবসায়ীরা স্বীকার করেছেন যে, কেউ নিষেধ না করায় তারা মিলের পাশের এই সরকারি রাস্তাটিকেই ব্যবসার কাজে ব্যবহার করছেন। তারা আরও জানান, কাঠের গুঁড়ি দেখে ক্রেতারা পছন্দ করেন বলেই তারা এগুলো রাস্তার ধারে সাজিয়ে রাখেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গাড়াগঞ্জ ও ভাটই বাজারেও একই অবস্থা। প্রভাবশালী ফার্নিচার ব্যবসায়ী ও স মিলের মালিকরা নিষেধ করার পরেও রাস্তা থেকে কাঠ সরাচ্ছেন না। কোনো কোনো ক্ষেত্রে মিলের জায়গা সংকটের অজুহাত দিয়ে রাস্তার ওপরই কাঠ ফেলে রাখা হচ্ছে।
আরাপপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস জানান, মহাসড়কের ওপর বা ধারে যেকোনো ধরনের বাণিজ্যিক পণ্য রাখা সম্পূর্ণ বেআইনি এবং এটি সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা বেশ কয়েকটি স্থানে অবৈধভাবে কাঠের গুঁড়ি রাখার অভিযোগ পেয়েছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে দ্রুতই এসব দখলমুক্ত করতে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হবে।”

আপনার মতামত লিখুন