মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে সরকারি ছুটির সুযোগ নিয়ে রাজধানীর জিয়া উদ্যান আজ ভিড় ও আনন্দের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। সকাল থেকেই উদ্যানের সবুজ প্রাঙ্গণ, লেক পার্ক ও পথসমূহে নানা শ্রেণি‑পেশার মানুষ পরিবার, বন্ধু ও প্রিয়জনদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন, আর দিনের বেলায় দর্শনার্থীর উপস্থিতি ক্রমেই বাড়ছে।
ছবি, হাসি‑আনন্দ, শিশুদের কোলাহল ও বয়োজ্যেষ্ঠদের গল্প‑গুজবের মধ্যে সব মিলিয়ে আজকের জিয়া উদ্যান যেন এক জীবন্ত মিলনক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। শহরের কোলাহল থেকে কিছুটা বিরতি নিতে অনেকে ঘুরে এসেছেন এই সবুজচত্বরকে বেছে নিয়ে।
অনেকে লেকে শিশুরা হাত‑পা ভিজিয়ে খেলার আনন্দ নিচ্ছে, আবার কেউ খোলা আকাশের নিচে বসে আড্ডা দিচ্ছে এবং স্মৃতি ক্যামেরাবন্দী করছে। দর্শনার্থীরা জানান, একুশের ছুটির দিনে তারা পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দঘন সময় কাটানোর জন্য জিয়া উদ্যানে এসেছে।
স্থানীয় দর্শনার্থী শফিকুল আলম বলেন, “শহরে ঘোরার মতো ভালো কোনো জায়গা সীমিত; তাই পরিবার নিয়ে ছুটি কাটাতে এখানে আসা খুব আনন্দদায়ক।” তাঁর সাত বছরের মেয়ে রাইসা লেকে পা ভিজিয়ে সময় কাটাচ্ছে।
বিশেষ করে শহরের তরুণরা খোলা পরিবেশে বন্ধুদের সঙ্গে বসে গঠনমূলক সময় পার করছে, আর অনেকেই ভাষা শহীদদের স্মৃতিকেই সম্মান জানিয়ে প্রকৃতির সাথে মিলেমিশে আজকের এই দিনটা উদযাপন করছে।
ভাষা আন্দোলন ও শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে যথাযথ আনুষ্ঠানিকতা ও শোক অনুষ্ঠানও চলছে, যদিও আজকের জিয়া উদ্যানের খবর সাধারণ মানুষের বিনোদন‑উদ্দীপ্ত পরিবেশকে বেশি তুলে ধরছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে সরকারি ছুটির সুযোগ নিয়ে রাজধানীর জিয়া উদ্যান আজ ভিড় ও আনন্দের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। সকাল থেকেই উদ্যানের সবুজ প্রাঙ্গণ, লেক পার্ক ও পথসমূহে নানা শ্রেণি‑পেশার মানুষ পরিবার, বন্ধু ও প্রিয়জনদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন, আর দিনের বেলায় দর্শনার্থীর উপস্থিতি ক্রমেই বাড়ছে।
ছবি, হাসি‑আনন্দ, শিশুদের কোলাহল ও বয়োজ্যেষ্ঠদের গল্প‑গুজবের মধ্যে সব মিলিয়ে আজকের জিয়া উদ্যান যেন এক জীবন্ত মিলনক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। শহরের কোলাহল থেকে কিছুটা বিরতি নিতে অনেকে ঘুরে এসেছেন এই সবুজচত্বরকে বেছে নিয়ে।
অনেকে লেকে শিশুরা হাত‑পা ভিজিয়ে খেলার আনন্দ নিচ্ছে, আবার কেউ খোলা আকাশের নিচে বসে আড্ডা দিচ্ছে এবং স্মৃতি ক্যামেরাবন্দী করছে। দর্শনার্থীরা জানান, একুশের ছুটির দিনে তারা পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দঘন সময় কাটানোর জন্য জিয়া উদ্যানে এসেছে।
স্থানীয় দর্শনার্থী শফিকুল আলম বলেন, “শহরে ঘোরার মতো ভালো কোনো জায়গা সীমিত; তাই পরিবার নিয়ে ছুটি কাটাতে এখানে আসা খুব আনন্দদায়ক।” তাঁর সাত বছরের মেয়ে রাইসা লেকে পা ভিজিয়ে সময় কাটাচ্ছে।
বিশেষ করে শহরের তরুণরা খোলা পরিবেশে বন্ধুদের সঙ্গে বসে গঠনমূলক সময় পার করছে, আর অনেকেই ভাষা শহীদদের স্মৃতিকেই সম্মান জানিয়ে প্রকৃতির সাথে মিলেমিশে আজকের এই দিনটা উদযাপন করছে।
ভাষা আন্দোলন ও শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে যথাযথ আনুষ্ঠানিকতা ও শোক অনুষ্ঠানও চলছে, যদিও আজকের জিয়া উদ্যানের খবর সাধারণ মানুষের বিনোদন‑উদ্দীপ্ত পরিবেশকে বেশি তুলে ধরছে।

আপনার মতামত লিখুন