দীর্ঘদিন পর স্বতঃস্ফূর্ত জনস্রোতে মুখরিত হয়ে উঠেছে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার—খালি পায়ে ফুলের ডালা হাতে হাজার হাজার মানুষ শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।
দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর নির্বাচিত সরকারের অধীনে এবারই প্রথম পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। এই বিশেষ প্রেক্ষাপটে দিবসটিতে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।
রাত ১২টা ১ মিনিটে রাষ্ট্রপতির পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় দিবসের কার্যক্রম। এরপর প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, বিরোধী দলীয় নেতা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ পর্যায়ক্রমে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানান। রাত থেকেই বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সারিবদ্ধভাবে শৃঙ্খলার সঙ্গে শ্রদ্ধা নিবেদন অব্যাহত রাখেন।
নিরাপত্তার বিষয়ে কোনো আপোষ করা হয়নি। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। ১৫ হাজার পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি র্যাব ও আনসার সদস্যরা নিরাপত্তা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দীর্ঘদিন পর স্বতঃস্ফূর্ত জনস্রোতে মুখরিত হয়ে উঠেছে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার—খালি পায়ে ফুলের ডালা হাতে হাজার হাজার মানুষ শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন।
দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর নির্বাচিত সরকারের অধীনে এবারই প্রথম পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। এই বিশেষ প্রেক্ষাপটে দিবসটিতে মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।
রাত ১২টা ১ মিনিটে রাষ্ট্রপতির পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় দিবসের কার্যক্রম। এরপর প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, বিরোধী দলীয় নেতা এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ পর্যায়ক্রমে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানান। রাত থেকেই বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সারিবদ্ধভাবে শৃঙ্খলার সঙ্গে শ্রদ্ধা নিবেদন অব্যাহত রাখেন।
নিরাপত্তার বিষয়ে কোনো আপোষ করা হয়নি। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। ১৫ হাজার পুলিশ সদস্যের পাশাপাশি র্যাব ও আনসার সদস্যরা নিরাপত্তা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করছেন।

আপনার মতামত লিখুন