অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) প্রথম প্রহরে ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্যদের নিয়ে তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল বেদিতে এই শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে জোটের নেতারা সেখানেই ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াতে ইসলামীর ইতিহাসে এটি একটি নজিরবিহীন ও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। এর আগে দলটির শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের এভাবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে উপস্থিত হয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন ও একই সঙ্গে বেদিতে দাঁড়িয়ে দোয়া পরিচালনা করতে দেখা যায়নি। ডা. শফিকুর রহমান প্রথমবারের মতো এই আনুষ্ঠানিকতায় নেতৃত্ব দিয়ে নতুন এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন।
শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত কথা বলেন জামায়াত আমীর। তিনি বলেন, ভাষা শহীদরা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান এবং তাদের আত্মত্যাগ চিরস্মরণীয়। তাদের প্রতি ধর্মীয় ও নৈতিক দায়িত্ববোধ থেকেই আজকের এই শ্রদ্ধা ও দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে। এ সময় ১১ দলীয় জোটের অন্যান্য সংসদ সদস্য ও জামায়াতের শীর্ষস্থানীয় নেতারা তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর যখন বিরোধী দলীয় নেতা ও জোটের প্রধান হিসেবে ডা. শফিকুর রহমান বেদিতে পৌঁছান, তখন সেখানে এক ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সেখানে বেশ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে শহীদ মিনার এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনের ভিড়ের মধ্যেই জামায়াত আমীর ও তার জোটের সদস্যরা তাদের এই সংক্ষিপ্ত কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) প্রথম প্রহরে ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্যদের নিয়ে তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল বেদিতে এই শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে জোটের নেতারা সেখানেই ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াতে ইসলামীর ইতিহাসে এটি একটি নজিরবিহীন ও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। এর আগে দলটির শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের এভাবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে উপস্থিত হয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন ও একই সঙ্গে বেদিতে দাঁড়িয়ে দোয়া পরিচালনা করতে দেখা যায়নি। ডা. শফিকুর রহমান প্রথমবারের মতো এই আনুষ্ঠানিকতায় নেতৃত্ব দিয়ে নতুন এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন।
শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত কথা বলেন জামায়াত আমীর। তিনি বলেন, ভাষা শহীদরা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান এবং তাদের আত্মত্যাগ চিরস্মরণীয়। তাদের প্রতি ধর্মীয় ও নৈতিক দায়িত্ববোধ থেকেই আজকের এই শ্রদ্ধা ও দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে। এ সময় ১১ দলীয় জোটের অন্যান্য সংসদ সদস্য ও জামায়াতের শীর্ষস্থানীয় নেতারা তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদনের পর যখন বিরোধী দলীয় নেতা ও জোটের প্রধান হিসেবে ডা. শফিকুর রহমান বেদিতে পৌঁছান, তখন সেখানে এক ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশের সৃষ্টি হয়। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সেখানে বেশ কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে শহীদ মিনার এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনের ভিড়ের মধ্যেই জামায়াত আমীর ও তার জোটের সদস্যরা তাদের এই সংক্ষিপ্ত কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করেন।

আপনার মতামত লিখুন