অমর একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে অনুষ্ঠিত হলো রাষ্ট্রীয় বিশেষ মোনাজাত। ১৯৫৩ সালের পর এই প্রথম শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের আনুষ্ঠানিকতায় রাষ্ট্রীয়ভাবে দোয়া ও মোনাজাতের এমন আয়োজন দেখা গেল।
শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের প্রথম প্রহরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পুষ্পস্তবক অর্পণ ও নিরবতা পালন শেষে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে এই মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।
ঐতিহাসিক তথ্যানুযায়ী, ১৯৫৩ সালে ভাষা আন্দোলনের প্রথম বার্ষিকীতে শহীদদের স্মরণে মোনাজাত করার ছবি ও নথিপত্র পাওয়া যায়। তবে পরবর্তী দীর্ঘ কয়েক দশকে এই প্রথাটি রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে আর দেখা যায়নি। দীর্ঘ সময় পর এই রীতি পুনরায় চালু হওয়াকে উপস্থিত জনতা ও বিশিষ্টজনরা একটি তাৎপর্যপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন।
উল্লেখ্য যে, দীর্ঘ স্বৈরাচারী শাসনের অবসানের পর এবারের মাতৃভাষা দিবসের আনুষ্ঠানিকতায় বেশ কিছু পরিবর্তন ও নতুনত্ব লক্ষ্য করা গেছে। এরই অংশ হিসেবে ভাষা শহীদদের ধর্মীয় ও আত্মিক সম্মান প্রদর্শনের জন্য এই রাষ্ট্রীয় দোয়ার আয়োজন করা হয়। মোনাজাতে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনার পাশাপাশি দেশের কল্যাণ ও সমৃদ্ধি প্রার্থনা করা হয়।
মোনাজাত চলাকালে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা এবং উপস্থিত সাধারণ মানুষ অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে এই প্রার্থনায় শরিক হন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
অমর একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে অনুষ্ঠিত হলো রাষ্ট্রীয় বিশেষ মোনাজাত। ১৯৫৩ সালের পর এই প্রথম শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদনের আনুষ্ঠানিকতায় রাষ্ট্রীয়ভাবে দোয়া ও মোনাজাতের এমন আয়োজন দেখা গেল।
শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের প্রথম প্রহরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পুষ্পস্তবক অর্পণ ও নিরবতা পালন শেষে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে এই মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।
ঐতিহাসিক তথ্যানুযায়ী, ১৯৫৩ সালে ভাষা আন্দোলনের প্রথম বার্ষিকীতে শহীদদের স্মরণে মোনাজাত করার ছবি ও নথিপত্র পাওয়া যায়। তবে পরবর্তী দীর্ঘ কয়েক দশকে এই প্রথাটি রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার অংশ হিসেবে আর দেখা যায়নি। দীর্ঘ সময় পর এই রীতি পুনরায় চালু হওয়াকে উপস্থিত জনতা ও বিশিষ্টজনরা একটি তাৎপর্যপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন।
উল্লেখ্য যে, দীর্ঘ স্বৈরাচারী শাসনের অবসানের পর এবারের মাতৃভাষা দিবসের আনুষ্ঠানিকতায় বেশ কিছু পরিবর্তন ও নতুনত্ব লক্ষ্য করা গেছে। এরই অংশ হিসেবে ভাষা শহীদদের ধর্মীয় ও আত্মিক সম্মান প্রদর্শনের জন্য এই রাষ্ট্রীয় দোয়ার আয়োজন করা হয়। মোনাজাতে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনার পাশাপাশি দেশের কল্যাণ ও সমৃদ্ধি প্রার্থনা করা হয়।
মোনাজাত চলাকালে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা এবং উপস্থিত সাধারণ মানুষ অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে এই প্রার্থনায় শরিক হন।

আপনার মতামত লিখুন