অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ রাত ১২টা ১ মিনিটে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে উপস্থিত হয়ে তিনি এই শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় একুশের কালজয়ী গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ বাজানো হয়। প্রধানমন্ত্রী পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে কিছুক্ষণ নিরবে দাঁড়িয়ে থেকে শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তারেক রহমান বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে মন্ত্রিসভার সদস্য ও দলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে দ্বিতীয়বার শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরবর্তীতে স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমানকে সাথে নিয়ে খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে তৃতীয় দফায় শ্রদ্ধা জানান তিনি।
রাষ্ট্রীয় ও দলীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্যরা শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ ছাড়াও সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, নির্বাচন কমিশনার, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, তিন বাহিনীর প্রধান এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা একে একে শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও ডাকসুসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও এদিন পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে পুরো শহীদ মিনার এলাকাকে বর্ণিল আলপনা ও দেয়াল লিখনে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। দেওয়ালে স্থান পেয়েছে প্রখ্যাত কবি ও লেখকদের স্মরণীয় উক্তি।
নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পুরো এলাকাকে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে এবং মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য। সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য শহীদ মিনার এলাকা উন্মুক্ত থাকলেও কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
অমর একুশে ফেব্রুয়ারি ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা আন্দোলনের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ রাত ১২টা ১ মিনিটে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে উপস্থিত হয়ে তিনি এই শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় একুশের কালজয়ী গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ বাজানো হয়। প্রধানমন্ত্রী পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে কিছুক্ষণ নিরবে দাঁড়িয়ে থেকে শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর তারেক রহমান বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে মন্ত্রিসভার সদস্য ও দলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে দ্বিতীয়বার শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। পরবর্তীতে স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমানকে সাথে নিয়ে খালেদা জিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে তৃতীয় দফায় শ্রদ্ধা জানান তিনি।
রাষ্ট্রীয় ও দলীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্যরা শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ ছাড়াও সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, নির্বাচন কমিশনার, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, তিন বাহিনীর প্রধান এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা একে একে শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও ডাকসুসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের পক্ষ থেকেও এদিন পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে পুরো শহীদ মিনার এলাকাকে বর্ণিল আলপনা ও দেয়াল লিখনে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। দেওয়ালে স্থান পেয়েছে প্রখ্যাত কবি ও লেখকদের স্মরণীয় উক্তি।
নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পুরো এলাকাকে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে এবং মোতায়েন করা হয়েছে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য। সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য শহীদ মিনার এলাকা উন্মুক্ত থাকলেও কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন