শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন রাস্তায় অযাচিতভাবে ঘোরাঘুরি করা কিশোরদের বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, রাতে অকারণে রাস্তায় ঘোরাঘুরি করলে পুলিশ তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে।
শিক্ষামন্ত্রী এই মন্তব্যটি করেছেন চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময় সভায়। সভায় জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। মিলনের বক্তব্যের মূল লক্ষ্য হলো কিশোরদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অযাচিত ঘোরাঘুরি, বিশেষ করে মাদক বা বিপজ্জনক কর্মকাণ্ড রোধ করা।
মিলন বলেন, “রাতে রাস্তায় অযথা ঘোরাঘুরি করলে তা সমাজ ও পরিবারের জন্য হুমকিস্বরূপ। পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হবে, যারা রাতের বেলা অযাচিতভাবে ঘোরে তাদের প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক। তবে আইনি ও সাংবিধানিক দিক বিবেচনা করা হবে।”
এই পদক্ষেপ কিশোরদের নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি কিশোর অপরাধ কমানো এবং সামাজিক নিরাপত্তা বাড়াতে সহায়ক হবে। তবে আইন প্রয়োগের সময় কিশোরদের অধিকার ও নাগরিক স্বাধীনতার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করতে হবে।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রশাসন রাতের অযাচিত ঘোরাঘুরি নিয়ন্ত্রণে আরও সচেতনতা বৃদ্ধি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন রাস্তায় অযাচিতভাবে ঘোরাঘুরি করা কিশোরদের বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, রাতে অকারণে রাস্তায় ঘোরাঘুরি করলে পুলিশ তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে।
শিক্ষামন্ত্রী এই মন্তব্যটি করেছেন চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে মতবিনিময় সভায়। সভায় জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। মিলনের বক্তব্যের মূল লক্ষ্য হলো কিশোরদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অযাচিত ঘোরাঘুরি, বিশেষ করে মাদক বা বিপজ্জনক কর্মকাণ্ড রোধ করা।
মিলন বলেন, “রাতে রাস্তায় অযথা ঘোরাঘুরি করলে তা সমাজ ও পরিবারের জন্য হুমকিস্বরূপ। পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হবে, যারা রাতের বেলা অযাচিতভাবে ঘোরে তাদের প্রয়োজনীয় জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক। তবে আইনি ও সাংবিধানিক দিক বিবেচনা করা হবে।”
এই পদক্ষেপ কিশোরদের নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি কিশোর অপরাধ কমানো এবং সামাজিক নিরাপত্তা বাড়াতে সহায়ক হবে। তবে আইন প্রয়োগের সময় কিশোরদের অধিকার ও নাগরিক স্বাধীনতার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করতে হবে।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রশাসন রাতের অযাচিত ঘোরাঘুরি নিয়ন্ত্রণে আরও সচেতনতা বৃদ্ধি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায়।

আপনার মতামত লিখুন