বাংলাদেশ সরকার নতুন সামাজিক নিরাপত্তা উদ্যোগের অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড পরীক্ষামূলকভাবে ৮ উপজেলায় চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই পাইলট প্রকল্পটি রমজান মাসে শুরু হবে এবং ঈদ-উল-ফিতরের আগে কার্যক্রম সম্পূর্ণ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো সরাসরি আর্থিক সহায়তা এবং খাদ্যসামগ্রী পাবে। বিশেষভাবে নারীদের নামে কার্ড বিতরণ করা হবে, যাতে গৃহস্থালীর অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় সরাসরি নিয়ন্ত্রণ থাকে। এটি সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর এবং স্বচ্ছ করার একটি পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা কার্ড বিতরণের নকশা ও নিয়ম প্রণয়ন, সুবিধাভোগী পরিবারের নির্বাচন প্রক্রিয়া নির্ধারণ এবং ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা তৈরি করে জাতীয় আইডি ও হাউসহোল্ড ডাটাবেসের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের দায়িত্বে থাকবে। কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিতে, যাতে ঈদের আগে সুবিধাভোগীরা কার্ড পেতে পারেন।
সরকারি ঘোষণায় এখনও নির্দিষ্ট ৮ উপজেলার নাম প্রকাশ করা হয়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, দেশের আটটি বিভাগের প্রতিটিতে একটি করে উপজেলা পাইলট হিসেবে নির্বাচিত হবে। পাইলট প্রকল্পের সফলতার পর ফ্যামিলি কার্ড জাতীয় পর্যায়ে সম্প্রসারণ করা হবে এবং এটি দরিদ্র পরিবারের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সরকার আশা করছে, দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে সুবিধাভোগীরা ঈদের আগে সরাসরি উপকারভোগী হবেন। এই উদ্যোগ সরকারের প্রতিশ্রুতিপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে জনসাধারণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি করবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ সরকার নতুন সামাজিক নিরাপত্তা উদ্যোগের অংশ হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড পরীক্ষামূলকভাবে ৮ উপজেলায় চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই পাইলট প্রকল্পটি রমজান মাসে শুরু হবে এবং ঈদ-উল-ফিতরের আগে কার্যক্রম সম্পূর্ণ করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো সরাসরি আর্থিক সহায়তা এবং খাদ্যসামগ্রী পাবে। বিশেষভাবে নারীদের নামে কার্ড বিতরণ করা হবে, যাতে গৃহস্থালীর অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় সরাসরি নিয়ন্ত্রণ থাকে। এটি সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর এবং স্বচ্ছ করার একটি পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা কার্ড বিতরণের নকশা ও নিয়ম প্রণয়ন, সুবিধাভোগী পরিবারের নির্বাচন প্রক্রিয়া নির্ধারণ এবং ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা তৈরি করে জাতীয় আইডি ও হাউসহোল্ড ডাটাবেসের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের দায়িত্বে থাকবে। কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিতে, যাতে ঈদের আগে সুবিধাভোগীরা কার্ড পেতে পারেন।
সরকারি ঘোষণায় এখনও নির্দিষ্ট ৮ উপজেলার নাম প্রকাশ করা হয়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, দেশের আটটি বিভাগের প্রতিটিতে একটি করে উপজেলা পাইলট হিসেবে নির্বাচিত হবে। পাইলট প্রকল্পের সফলতার পর ফ্যামিলি কার্ড জাতীয় পর্যায়ে সম্প্রসারণ করা হবে এবং এটি দরিদ্র পরিবারের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সরকার আশা করছে, দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে সুবিধাভোগীরা ঈদের আগে সরাসরি উপকারভোগী হবেন। এই উদ্যোগ সরকারের প্রতিশ্রুতিপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে জনসাধারণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি করবে।

আপনার মতামত লিখুন