সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য এবং বাণিজ্য, শিল্প ও বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, আসন্ন রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে দেশে পর্যাপ্ত খাদ্যসামগ্রী মজুত রয়েছে। শুক্রবার সকালে দুই দিনের সফরে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী জানান, দায়িত্ব নেওয়ার পর সময় কম থাকলেও বর্তমান মজুত পরিস্থিতি সন্তোষজনক, যা বাজারমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক হবে।
সিলেটের উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী তাঁর নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, বিশেষ করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও আইটি খাতের প্রসারে তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন। সিলেটে একটি আধুনিক ‘এআই সেন্টার’ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিশ্ব যখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন আমাদের পিছিয়ে থাকার সুযোগ নেই। বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা অর্জনে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও এআই প্রশিক্ষণের আওতায় আনা জরুরি।
সিলেটের আইটি পার্কে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে লাল ফিতার দৌরাত্ম্য কমানো এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা হবে। প্রবাসী ও দেশীয় বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ নীতি-সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে সরকার কাজ করছে, যার প্রতিফলন দ্রুতই দৃশ্যমান হবে। আগামী পাঁচ বছর প্রতিটি দিন কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী বৈশ্বিক অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
বিমানবন্দরে এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য এম এ মালিক, বিভাগীয় কমিশনার, ডিআইজি, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য এবং বাণিজ্য, শিল্প ও বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, আসন্ন রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে দেশে পর্যাপ্ত খাদ্যসামগ্রী মজুত রয়েছে। শুক্রবার সকালে দুই দিনের সফরে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী জানান, দায়িত্ব নেওয়ার পর সময় কম থাকলেও বর্তমান মজুত পরিস্থিতি সন্তোষজনক, যা বাজারমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক হবে।
সিলেটের উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী তাঁর নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, বিশেষ করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও আইটি খাতের প্রসারে তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন। সিলেটে একটি আধুনিক ‘এআই সেন্টার’ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিশ্ব যখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন আমাদের পিছিয়ে থাকার সুযোগ নেই। বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা অর্জনে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও এআই প্রশিক্ষণের আওতায় আনা জরুরি।
সিলেটের আইটি পার্কে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে লাল ফিতার দৌরাত্ম্য কমানো এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা হবে। প্রবাসী ও দেশীয় বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ নীতি-সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে সরকার কাজ করছে, যার প্রতিফলন দ্রুতই দৃশ্যমান হবে। আগামী পাঁচ বছর প্রতিটি দিন কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী বৈশ্বিক অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
বিমানবন্দরে এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য এম এ মালিক, বিভাগীয় কমিশনার, ডিআইজি, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

আপনার মতামত লিখুন