ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শিক্ষায় তিন অগ্রাধিকারের কথা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

শিক্ষায় তিন অগ্রাধিকারের কথা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

নতুন দায়িত্ব নেওয়া বাংলাদেশের শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন আজ দেশের শিক্ষাব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য তিনটি প্রধান অগ্রাধিকারের কথা ঘোষণা করেছেন। মন্ত্রী জানান, শিক্ষাখাতকে স্থিতিশীল, কার্যকর এবং যুগোপযোগী করার জন্য সরকার এই বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেবে।

মন্ত্রী বলেন, প্রথম অগ্রাধিকার হলো শিক্ষার্থীদের নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে ফিরিয়ে আনা। দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন কারণে শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিতি ও শিক্ষার ধারাবাহিকতার ঘাটতি দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ক্লাসে ফিরে এলে শিক্ষার মান বৃদ্ধি পাবে।

দ্বিতীয় অগ্রাধিকারে তিনি জাতীয় পাঠ্যক্রমের পুনর্বিবেচনা তুলে ধরেছেন। মন্ত্রী জানিয়েছেন, পাঠ্যক্রমের গুণগত মান উন্নত করতে এবং শিক্ষার্থীদের বর্তমান যুগোপযোগী দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করতে এটি পর্যায়ক্রমে পর্যালোচনা ও সমন্বয় করা হবে।

তৃতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে মন্ত্রী কারিগরি ও দক্ষতা‑ভিত্তিক শিক্ষা উন্নয়নের উপর গুরুত্ব দিয়েছেন। শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে তারা ভবিষ্যতের শ্রমবাজারে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।

শিক্ষামন্ত্রী এসময় দুর্নীতি-হীন ও স্বচ্ছ শিক্ষা ব্যবস্থার গুরুত্বও জোর দিয়ে বলেন, শিক্ষাকে শুধু খরচ নয়, বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হবে। স্টেট মিনিস্টার ববি হাজ্জাজও জানিয়েছেন, ধাপে ধাপে শিক্ষাবাজেট জিডিপির ৫% পর্যন্ত উন্নীত করা হবে।

মন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলনের এই ঘোষণা শিক্ষার নতুন ধারার সংকেত বহন করছে। শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরিয়ে আনা, পাঠ্যক্রম আধুনিকায়ন এবং কারিগরি শিক্ষা শক্তিশালী করার মাধ্যমে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা আরও কার্যকর ও সমৃদ্ধ হবে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


শিক্ষায় তিন অগ্রাধিকারের কথা জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

নতুন দায়িত্ব নেওয়া বাংলাদেশের শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন আজ দেশের শিক্ষাব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য তিনটি প্রধান অগ্রাধিকারের কথা ঘোষণা করেছেন। মন্ত্রী জানান, শিক্ষাখাতকে স্থিতিশীল, কার্যকর এবং যুগোপযোগী করার জন্য সরকার এই বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেবে।

মন্ত্রী বলেন, প্রথম অগ্রাধিকার হলো শিক্ষার্থীদের নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে ফিরিয়ে আনা। দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন কারণে শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিতি ও শিক্ষার ধারাবাহিকতার ঘাটতি দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ক্লাসে ফিরে এলে শিক্ষার মান বৃদ্ধি পাবে।

দ্বিতীয় অগ্রাধিকারে তিনি জাতীয় পাঠ্যক্রমের পুনর্বিবেচনা তুলে ধরেছেন। মন্ত্রী জানিয়েছেন, পাঠ্যক্রমের গুণগত মান উন্নত করতে এবং শিক্ষার্থীদের বর্তমান যুগোপযোগী দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করতে এটি পর্যায়ক্রমে পর্যালোচনা ও সমন্বয় করা হবে।

তৃতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে মন্ত্রী কারিগরি ও দক্ষতা‑ভিত্তিক শিক্ষা উন্নয়নের উপর গুরুত্ব দিয়েছেন। শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে তারা ভবিষ্যতের শ্রমবাজারে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।

শিক্ষামন্ত্রী এসময় দুর্নীতি-হীন ও স্বচ্ছ শিক্ষা ব্যবস্থার গুরুত্বও জোর দিয়ে বলেন, শিক্ষাকে শুধু খরচ নয়, বিনিয়োগ হিসেবে দেখা হবে। স্টেট মিনিস্টার ববি হাজ্জাজও জানিয়েছেন, ধাপে ধাপে শিক্ষাবাজেট জিডিপির ৫% পর্যন্ত উন্নীত করা হবে।

মন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলনের এই ঘোষণা শিক্ষার নতুন ধারার সংকেত বহন করছে। শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরিয়ে আনা, পাঠ্যক্রম আধুনিকায়ন এবং কারিগরি শিক্ষা শক্তিশালী করার মাধ্যমে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা আরও কার্যকর ও সমৃদ্ধ হবে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ