সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় নতুনভাবে চালু হতে যাওয়া ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রভাব বা বিবেচনা থাকবে না বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন। সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। মন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড প্রদানে রাজনৈতিক পরিচয়, দলীয় আনুগত্য কিংবা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সুপারিশ বিবেচনায় নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। প্রকৃত অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারই এই কর্মসূচির সুবিধা পাবেন এটাই সরকারের অবস্থান।
তিনি আরও জানান, কার্ডের তালিকা প্রণয়ন ও যাচাই-বাছাইয়ের পুরো প্রক্রিয়া স্বচ্ছ রাখতে মাঠপর্যায় থেকেই কঠোর নজরদারি করা হবে। কোনো মধ্যস্বত্বভোগী বা স্থানীয় প্রভাবশালীর হস্তক্ষেপ বরদাশত করা হবে না। ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে বাজেট, কাঠামো ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। রমজানের আগেই পরীক্ষামূলকভাবে প্রথম ধাপের কার্ড বিতরণ শুরুর প্রস্তুতি চলছে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, দেশজুড়ে ৫০ লাখ পরিবারকে এই কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথম ধাপে প্রতিটি পরিবারকে নগদ সহায়তা বা সাশ্রয়ী দামে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে, যার পরিমাণ হতে পারে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা সমমূল্যের। তবে অর্থায়ন এবং পরিবার বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সঠিক তথ্য সংগ্রহ এই দুইটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, “এই কর্মসূচির লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা। তাই রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। সরকার দৃঢ়ভাবে চাই, সঠিক মানুষ সঠিক সহায়তা পাক।” সরকারের এ ঘোষণায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি তৈরি হয়েছে। এখন সকলের দৃষ্টি ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কতটা স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে বাস্তবায়িত হয় সেইদিকে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতায় নতুনভাবে চালু হতে যাওয়া ফ্যামিলি কার্ড বিতরণে কোনো ধরনের রাজনৈতিক প্রভাব বা বিবেচনা থাকবে না বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন। সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান। মন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ড প্রদানে রাজনৈতিক পরিচয়, দলীয় আনুগত্য কিংবা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সুপারিশ বিবেচনায় নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। প্রকৃত অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত পরিবারই এই কর্মসূচির সুবিধা পাবেন এটাই সরকারের অবস্থান।
তিনি আরও জানান, কার্ডের তালিকা প্রণয়ন ও যাচাই-বাছাইয়ের পুরো প্রক্রিয়া স্বচ্ছ রাখতে মাঠপর্যায় থেকেই কঠোর নজরদারি করা হবে। কোনো মধ্যস্বত্বভোগী বা স্থানীয় প্রভাবশালীর হস্তক্ষেপ বরদাশত করা হবে না। ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে বাজেট, কাঠামো ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। রমজানের আগেই পরীক্ষামূলকভাবে প্রথম ধাপের কার্ড বিতরণ শুরুর প্রস্তুতি চলছে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, দেশজুড়ে ৫০ লাখ পরিবারকে এই কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথম ধাপে প্রতিটি পরিবারকে নগদ সহায়তা বা সাশ্রয়ী দামে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে, যার পরিমাণ হতে পারে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা সমমূল্যের। তবে অর্থায়ন এবং পরিবার বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সঠিক তথ্য সংগ্রহ এই দুইটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, “এই কর্মসূচির লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা। তাই রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। সরকার দৃঢ়ভাবে চাই, সঠিক মানুষ সঠিক সহায়তা পাক।” সরকারের এ ঘোষণায় সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি তৈরি হয়েছে। এখন সকলের দৃষ্টি ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কতটা স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে বাস্তবায়িত হয় সেইদিকে।

আপনার মতামত লিখুন