সরকারের পরিকল্পিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটি আগামী তিন দিনের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দেবে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
আজ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সচিবালয়ে ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকে আরও বিস্তৃত ও কার্যকর করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, বর্তমানে দেশে প্রচলিত বিভিন্ন কার্ড বা ভাতার তুলনায় ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রদান করা আর্থিক সহায়তার পরিমাণ হবে দ্বিগুণেরও বেশি। তবে তিনি আশ্বস্ত করেন যে, বিদ্যমান কার্ড ও অন্যান্য ভাতা কার্যক্রম আগের মতোই সচল থাকবে। নতুন এই ফ্যামিলি কার্ড হবে সার্বজনীন, যা তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে সরাসরি সুবিধাভোগীদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে।
বৈঠক পরবর্তী ব্রিফিংয়ে সমাজকল্যাণমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ফ্যামিলি কার্ড মূলত বিএনপির একটি নতুন ও উদ্ভাবনী চিন্তা। এর লক্ষ্য হলো প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় সামাজিক সুরক্ষার সুফল পৌঁছে দেওয়া। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে পুরো প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
এদিকে একই বৈঠকে উপস্থিত পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু ফ্যামিলি কার্ড চালুর সময়সীমা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেন। তিনি জানান, আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই পরীক্ষামূলকভাবে এই কার্ড বিতরণ ও এর সুবিধা প্রদান শুরু করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে দ্বিগুণ সহায়তা প্রদান নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য বড় ধরনের স্বস্তি বয়ে আনবে। অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন কমিটির প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর এই কর্মসূচির পূর্ণাঙ্গ কাঠামো ও সুবিধাভোগী নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানা যাবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সরকারের পরিকল্পিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটি আগামী তিন দিনের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন জমা দেবে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
আজ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সচিবালয়ে ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকে আরও বিস্তৃত ও কার্যকর করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, বর্তমানে দেশে প্রচলিত বিভিন্ন কার্ড বা ভাতার তুলনায় ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রদান করা আর্থিক সহায়তার পরিমাণ হবে দ্বিগুণেরও বেশি। তবে তিনি আশ্বস্ত করেন যে, বিদ্যমান কার্ড ও অন্যান্য ভাতা কার্যক্রম আগের মতোই সচল থাকবে। নতুন এই ফ্যামিলি কার্ড হবে সার্বজনীন, যা তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে সরাসরি সুবিধাভোগীদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে।
বৈঠক পরবর্তী ব্রিফিংয়ে সমাজকল্যাণমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, ফ্যামিলি কার্ড মূলত বিএনপির একটি নতুন ও উদ্ভাবনী চিন্তা। এর লক্ষ্য হলো প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় সামাজিক সুরক্ষার সুফল পৌঁছে দেওয়া। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে পুরো প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
এদিকে একই বৈঠকে উপস্থিত পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু ফ্যামিলি কার্ড চালুর সময়সীমা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রদান করেন। তিনি জানান, আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই পরীক্ষামূলকভাবে এই কার্ড বিতরণ ও এর সুবিধা প্রদান শুরু করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির এই সময়ে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে দ্বিগুণ সহায়তা প্রদান নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য বড় ধরনের স্বস্তি বয়ে আনবে। অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন কমিটির প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর এই কর্মসূচির পূর্ণাঙ্গ কাঠামো ও সুবিধাভোগী নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানা যাবে।

আপনার মতামত লিখুন