ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সাধারণ আসনগুলোর গেজেট প্রকাশের পর এখন সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসন বণ্টন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। নির্বাচনের ফলাফল ও আসন প্রাপ্তির আনুপাতিক হার বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এবারের সংসদে বিএনপি ও জামায়াত জোট নারী আসনের বড় একটি অংশ পেতে যাচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি ৬টি সাধারণ আসনের বিপরীতে ১টি সংরক্ষিত নারী আসন বরাদ্দ দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। সেই হিসেবে ২১১টি সাধারণ আসনে জয়ী হওয়া বিএনপি জোট একাই ৩৫টি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে পারে। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ৭৭টি আসন পাওয়ায় তাদের ভাগে ১৩টি নারী আসন পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী ও অন্যান্য ছোট দলগুলো যদি জোটবদ্ধ হয়, তবে বাকি ২টি আসন তাদের মধ্যে বণ্টিত হতে পারে।
সংবিধান অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন শেষ করার বাধ্যবাধকতা আছে। ইসি জানিয়েছে, প্রশাসনিক প্রস্তুতি ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে এবং মার্চের শেষ নাগাদ এই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। সাধারণত রাজনৈতিক দলগুলো তাদের নির্ধারিত আসন অনুযায়ী একক প্রার্থী মনোনয়ন দেয়, ফলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভোটাভুটির প্রয়োজন পড়ে না এবং প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। বর্তমানে স্থগিত থাকা কয়েকটি আসনের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হলে এই আনুপাতিক হিসেবে সামান্য পরিবর্তন আসতে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সাধারণ আসনগুলোর গেজেট প্রকাশের পর এখন সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসন বণ্টন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। নির্বাচনের ফলাফল ও আসন প্রাপ্তির আনুপাতিক হার বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এবারের সংসদে বিএনপি ও জামায়াত জোট নারী আসনের বড় একটি অংশ পেতে যাচ্ছে।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি ৬টি সাধারণ আসনের বিপরীতে ১টি সংরক্ষিত নারী আসন বরাদ্দ দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। সেই হিসেবে ২১১টি সাধারণ আসনে জয়ী হওয়া বিএনপি জোট একাই ৩৫টি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে পারে। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট ৭৭টি আসন পাওয়ায় তাদের ভাগে ১৩টি নারী আসন পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী ও অন্যান্য ছোট দলগুলো যদি জোটবদ্ধ হয়, তবে বাকি ২টি আসন তাদের মধ্যে বণ্টিত হতে পারে।
সংবিধান অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন শেষ করার বাধ্যবাধকতা আছে। ইসি জানিয়েছে, প্রশাসনিক প্রস্তুতি ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে এবং মার্চের শেষ নাগাদ এই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। সাধারণত রাজনৈতিক দলগুলো তাদের নির্ধারিত আসন অনুযায়ী একক প্রার্থী মনোনয়ন দেয়, ফলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভোটাভুটির প্রয়োজন পড়ে না এবং প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। বর্তমানে স্থগিত থাকা কয়েকটি আসনের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত হলে এই আনুপাতিক হিসেবে সামান্য পরিবর্তন আসতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন