ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

৪ আসনের ফল বাকি, সংরক্ষিত নারী আসনের চূড়ান্ত চিত্রে আসতে পারে পরিবর্তন


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

৪ আসনের ফল বাকি, সংরক্ষিত নারী আসনের চূড়ান্ত চিত্রে আসতে পারে পরিবর্তন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ২৯৬টি আসনের গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রকাশিত গেজেট অনুযায়ী সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনের মধ্যে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ৩৫টি এবং জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট ১৩টি আসন পেতে পারে বলে কমিশন জানিয়েছে।

ঘোষিত ফলাফলে বিএনপি এককভাবে ২০৯টি আসন লাভ করেছে। জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন এবং এনসিপি পেয়েছে ৬টি। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি আসনে জয়ী হয়েছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণঅধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ও গণসংহতি আন্দোলন প্রত্যেকে একটি করে আসন পেয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন সাতটি আসনে।

গেজেট অনুযায়ী জোটভিত্তিক হিসাবে বিএনপি জোটের আসন দাঁড়িয়েছে ২১১টি এবং জামায়াত জোটের ৭৪টি। স্বতন্ত্রদের সাতটি আসনের কারণে তারাও একটি সংরক্ষিত নারী আসন পাওয়ার সুযোগ পেতে পারেন। সংসদে সংরক্ষিত একটি নারী আসন পেতে ন্যূনতম ছয়জন নির্বাচিত সংসদ সদস্য থাকা বাধ্যতামূলক।

এদিকে চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের গেজেট হাইকোর্টের নির্দেশে স্থগিত রয়েছে। বগুড়া-৬ আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে এবং শেরপুর-৩ আসনে একজন প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ভোটগ্রহণ স্থগিত হয়েছে। এই চারটি আসনের ফলাফল প্রকাশের পর সংরক্ষিত নারী আসনের চূড়ান্ত সংখ্যা কিছুটা কমবেশি হতে পারে।

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, একটি সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য অন্তত ছয়টি নির্বাচিত আসন প্রয়োজন। তবে রাজনৈতিক দলগুলো চাইলে জোটগতভাবে নারী আসনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে এবং এতে কোনো আইনি বাধা নেই।

সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদে ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসন রয়েছে এবং সাধারণ নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে এসব আসনের নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। সে হিসাবে আগামী মে মাসের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে ভোট আয়োজন করবে ইসি।

সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে ভোট দেবেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। প্রতিটি দল বা জোট তাদের প্রাপ্ত আসনের অনুপাতে প্রার্থী মনোনয়ন দেবে। কোনো আসনে একাধিক প্রার্থী থাকলে ভোটগ্রহণ হবে, আর একক প্রার্থী হলে ভোট ছাড়াই তাকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে।

আইন অনুযায়ী শপথ নেওয়া সংসদ সদস্যদের তথ্য তিন কার্যদিবসের মধ্যে সংসদ সচিবালয় থেকে ইসিতে পাঠানো হয়। গেজেট প্রকাশের ২১ কার্যদিবসের মধ্যে দল বা জোটকে প্রার্থী তালিকা জমা দিতে হয় এবং এরপর ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে ইসি সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের জন্য দলভিত্তিক চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


৪ আসনের ফল বাকি, সংরক্ষিত নারী আসনের চূড়ান্ত চিত্রে আসতে পারে পরিবর্তন

প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ২৯৬টি আসনের গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রকাশিত গেজেট অনুযায়ী সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনের মধ্যে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ৩৫টি এবং জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট ১৩টি আসন পেতে পারে বলে কমিশন জানিয়েছে।

ঘোষিত ফলাফলে বিএনপি এককভাবে ২০৯টি আসন লাভ করেছে। জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন এবং এনসিপি পেয়েছে ৬টি। এছাড়া বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি আসনে জয়ী হয়েছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণঅধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ও গণসংহতি আন্দোলন প্রত্যেকে একটি করে আসন পেয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন সাতটি আসনে।

গেজেট অনুযায়ী জোটভিত্তিক হিসাবে বিএনপি জোটের আসন দাঁড়িয়েছে ২১১টি এবং জামায়াত জোটের ৭৪টি। স্বতন্ত্রদের সাতটি আসনের কারণে তারাও একটি সংরক্ষিত নারী আসন পাওয়ার সুযোগ পেতে পারেন। সংসদে সংরক্ষিত একটি নারী আসন পেতে ন্যূনতম ছয়জন নির্বাচিত সংসদ সদস্য থাকা বাধ্যতামূলক।

এদিকে চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের গেজেট হাইকোর্টের নির্দেশে স্থগিত রয়েছে। বগুড়া-৬ আসন শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে এবং শেরপুর-৩ আসনে একজন প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ভোটগ্রহণ স্থগিত হয়েছে। এই চারটি আসনের ফলাফল প্রকাশের পর সংরক্ষিত নারী আসনের চূড়ান্ত সংখ্যা কিছুটা কমবেশি হতে পারে।

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, একটি সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য অন্তত ছয়টি নির্বাচিত আসন প্রয়োজন। তবে রাজনৈতিক দলগুলো চাইলে জোটগতভাবে নারী আসনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে এবং এতে কোনো আইনি বাধা নেই।

সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদে ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসন রয়েছে এবং সাধারণ নির্বাচনের ফলাফলের গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে এসব আসনের নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। সে হিসাবে আগামী মে মাসের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে ভোট আয়োজন করবে ইসি।

সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে ভোট দেবেন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা। প্রতিটি দল বা জোট তাদের প্রাপ্ত আসনের অনুপাতে প্রার্থী মনোনয়ন দেবে। কোনো আসনে একাধিক প্রার্থী থাকলে ভোটগ্রহণ হবে, আর একক প্রার্থী হলে ভোট ছাড়াই তাকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে।

আইন অনুযায়ী শপথ নেওয়া সংসদ সদস্যদের তথ্য তিন কার্যদিবসের মধ্যে সংসদ সচিবালয় থেকে ইসিতে পাঠানো হয়। গেজেট প্রকাশের ২১ কার্যদিবসের মধ্যে দল বা জোটকে প্রার্থী তালিকা জমা দিতে হয় এবং এরপর ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে ইসি সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের জন্য দলভিত্তিক চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ