সরকারি, আধা-সরকারি, স্থানীয় সরকার ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে চাকরির জন্য ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ডোপ টেস্টে যদি কোনো ব্যক্তি মাদকাসক্ত হিসেবে শনাক্ত হন, তাহলে তিনি ওই প্রতিষ্ঠানে চাকরির জন্য অযোগ্য হবেন। চাকরিরত অবস্থায় পজিটিভ শনাক্ত হলে এটি ‘অসদাচরণ’ হিসেবে গণ্য হবে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না নিলে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্প্রতি ‘জৈব নমুনায় মাদকদ্রব্য শনাক্তকরণ (ডোপ টেস্ট) বিধিমালা-২০২৬’ জারি করেছে। এতে ডোপ টেস্ট টেকনিক্যাল কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে, যার সভাপতি হবেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। কমিটিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাদক অণুবিভাগ, পুলিশ, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটসহ বিভিন্ন সরকারি ও একাডেমিক সংস্থার প্রতিনিধি থাকবেন। প্রয়োজনে তারা অতিরিক্ত সদস্যও অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন।
বিধিমালার আওতায় চাকরি বা নিয়োগের ক্ষেত্রে সন্দেহজনক অবস্থায় ডোপ টেস্ট প্রযোজ্য হবে। এটি গাড়িচালক, নৌচালক, বিমানচালক, আগ্নেয়াস্ত্রধারী, বিদেশগামী কর্মী এবং উচ্চশিক্ষার্থীসহ অন্যান্য ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
নমুনা সংগ্রহ, পরীক্ষা ও তথ্য সংরক্ষণে কড়া নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। নমুনা প্রদানের জন্য নির্দিষ্ট স্থানে উপস্থিত থাকতে হবে, ছবি ও আঙুলের ছাপ ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ করতে হবে, এবং পরীক্ষার ফল শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা প্রতিনিধিকে জানানো যাবে। ল্যাবরেটরিতে অন্য কোনো ব্যক্তির প্রবেশ, নমুনা বিশ্লেষণ বা তথ্য হস্তান্তর সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
ডেটাবেইজ সুরক্ষিত রাখতে হবে এবং বিকল্প ব্যবস্থা থাকতে হবে যেন কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি বা দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে তথ্য পুনরুদ্ধার সম্ভব হয়। যা কোনো দায়িত্বে অবহেলা বা ব্যর্থতার ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
যদিও বিধিমালা সদ্য প্রণীত, এর আগে কয়েকটি সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কয়েক বছর ধরে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করেছিল। এখন এটি সব প্রযোজ্য প্রতিষ্ঠানের জন্য বাধ্যতামূলক এবং চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সরকারি, আধা-সরকারি, স্থানীয় সরকার ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে চাকরির জন্য ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ডোপ টেস্টে যদি কোনো ব্যক্তি মাদকাসক্ত হিসেবে শনাক্ত হন, তাহলে তিনি ওই প্রতিষ্ঠানে চাকরির জন্য অযোগ্য হবেন। চাকরিরত অবস্থায় পজিটিভ শনাক্ত হলে এটি ‘অসদাচরণ’ হিসেবে গণ্য হবে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা না নিলে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্প্রতি ‘জৈব নমুনায় মাদকদ্রব্য শনাক্তকরণ (ডোপ টেস্ট) বিধিমালা-২০২৬’ জারি করেছে। এতে ডোপ টেস্ট টেকনিক্যাল কমিটি গঠনের কথা বলা হয়েছে, যার সভাপতি হবেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। কমিটিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাদক অণুবিভাগ, পুলিশ, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটসহ বিভিন্ন সরকারি ও একাডেমিক সংস্থার প্রতিনিধি থাকবেন। প্রয়োজনে তারা অতিরিক্ত সদস্যও অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন।
বিধিমালার আওতায় চাকরি বা নিয়োগের ক্ষেত্রে সন্দেহজনক অবস্থায় ডোপ টেস্ট প্রযোজ্য হবে। এটি গাড়িচালক, নৌচালক, বিমানচালক, আগ্নেয়াস্ত্রধারী, বিদেশগামী কর্মী এবং উচ্চশিক্ষার্থীসহ অন্যান্য ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
নমুনা সংগ্রহ, পরীক্ষা ও তথ্য সংরক্ষণে কড়া নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। নমুনা প্রদানের জন্য নির্দিষ্ট স্থানে উপস্থিত থাকতে হবে, ছবি ও আঙুলের ছাপ ডিজিটালভাবে সংরক্ষণ করতে হবে, এবং পরীক্ষার ফল শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা প্রতিনিধিকে জানানো যাবে। ল্যাবরেটরিতে অন্য কোনো ব্যক্তির প্রবেশ, নমুনা বিশ্লেষণ বা তথ্য হস্তান্তর সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
ডেটাবেইজ সুরক্ষিত রাখতে হবে এবং বিকল্প ব্যবস্থা থাকতে হবে যেন কোনো যান্ত্রিক ত্রুটি বা দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে তথ্য পুনরুদ্ধার সম্ভব হয়। যা কোনো দায়িত্বে অবহেলা বা ব্যর্থতার ক্ষেত্রে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
যদিও বিধিমালা সদ্য প্রণীত, এর আগে কয়েকটি সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কয়েক বছর ধরে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করেছিল। এখন এটি সব প্রযোজ্য প্রতিষ্ঠানের জন্য বাধ্যতামূলক এবং চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন