বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বিএনপি কর্মী মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন চৌধুরীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার রাতে শিবপাশা বাদামতলা পুলসংলগ্ন একটি ডোবায় তাঁর মরদেহ ফেলে রাখা হয়। নিহত দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী উত্তর কড়াপুর গ্রামের মৃত নজির চৌধুরীর ছেলে।
খবর পেয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একটি পরিত্যক্ত বাইসাইকেল ও গলার মাফলার দেখে তারা সাইকেলের মালিককে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে সাইকেলের কাছেই রাস্তার পাশে ডোবার পানিতে একটি লাশ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের অভিযোগ, দেলোয়ার হোসেন বিএনপির একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন এবং একই এলাকার কয়েকজন ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর বিরোধ ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই বিরোধের জের ধরেই তাঁকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে তদন্তের পরই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে তারা জানিয়েছেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, নিহতের মাথার বাম পাশে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে এবং ধারণা করা হচ্ছে, কুপিয়ে হত্যার পর মরদেহ ডোবায় ফেলে রাখা হয়। তিনি বলেন, পুরো ঘটনা গভীরভাবে তদন্ত করা হচ্ছে এবং এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বিএনপি কর্মী মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন চৌধুরীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার রাতে শিবপাশা বাদামতলা পুলসংলগ্ন একটি ডোবায় তাঁর মরদেহ ফেলে রাখা হয়। নিহত দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী উত্তর কড়াপুর গ্রামের মৃত নজির চৌধুরীর ছেলে।
খবর পেয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একটি পরিত্যক্ত বাইসাইকেল ও গলার মাফলার দেখে তারা সাইকেলের মালিককে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে সাইকেলের কাছেই রাস্তার পাশে ডোবার পানিতে একটি লাশ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের অভিযোগ, দেলোয়ার হোসেন বিএনপির একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন এবং একই এলাকার কয়েকজন ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর বিরোধ ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ওই বিরোধের জের ধরেই তাঁকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে তদন্তের পরই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে তারা জানিয়েছেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান, নিহতের মাথার বাম পাশে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে এবং ধারণা করা হচ্ছে, কুপিয়ে হত্যার পর মরদেহ ডোবায় ফেলে রাখা হয়। তিনি বলেন, পুরো ঘটনা গভীরভাবে তদন্ত করা হচ্ছে এবং এ ঘটনায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আপনার মতামত লিখুন