৪৯ সদস্যের বিশাল মন্ত্রিসভা গঠিত হলেও দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জেলা গাজীপুর থেকে একজনও প্রতিনিধি না থাকায় তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন জেলার সাধারণ মানুষ। শিল্প, বাণিজ্য ও জনসংখ্যার দিক থেকে দেশের শীর্ষস্থানীয় এই জেলা কার্যত মন্ত্রিসভায় ‘ব্রাত্য’ হয়ে পড়েছে- যা স্থানীয়দের কাছে বিস্ময়কর ও অপমানজনক বলেই মনে হচ্ছে।
দেশের প্রধান শিল্পাঞ্চল হিসেবে পরিচিত গাজীপুরে রয়েছে হাজারো কারখানা, লক্ষাধিক শ্রমিক এবং কোটি টাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। জাতীয় অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে যে জেলাটি প্রতিদিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে, সেই জেলার কোনো কণ্ঠ মন্ত্রিসভায় না থাকা অনেকের কাছেই চরম অবহেলার প্রতীক।
রাজনৈতিকভাবেও গাজীপুর কোনো পিছিয়ে থাকা জেলা নয়। স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রাম, নির্বাচন ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে এই জেলার মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ ইতিহাসে সুপরিচিত। ভোটের মাঠে গাজীপুর বরাবরই ‘হটস্পট’। অথচ এত বড় মন্ত্রিসভায় জেলার জন্য একটি চেয়ারও না থাকায় প্রশ্ন উঠেছে- তাহলে গাজীপুরের গুরুত্ব কোথায়?
স্থানীয়দের অভিযোগ, মন্ত্রিসভায় প্রতিনিধিত্ব না থাকায় জেলার উন্নয়ন কার্যক্রমও ধীরগতির ঝুঁকিতে পড়বে। শিল্পায়ন, যানজট, পরিবেশ দূষণ, নগর পরিকল্পনা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য- প্রতিটি ক্ষেত্রেই গাজীপুরে রয়েছে বড় চ্যালেঞ্জ। এসব বিষয়ে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে শক্ত কণ্ঠ না থাকলে সমস্যাগুলো আরও দীর্ঘস্থায়ী হবে বলেই আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।
একজন স্থানীয় নাগরিক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “দেশের অর্থনীতি চলে গাজীপুরের ঘামে, কিন্তু সিদ্ধান্ত হয় অন্য জেলায় বসে। এটা কি ন্যায্য?”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মন্ত্রিসভা গঠনে নানা সমীকরণ থাকলেও গাজীপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলাকে পুরোপুরি উপেক্ষা করা রাজনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত। এতে করে ভবিষ্যতে জনমনে অসন্তোষ ও আস্থার সংকট তৈরি হতে পারে।
গাজীপুরবাসীর স্পষ্ট দাবি—তারা বিশেষ কিছু চায় না, শুধু চায় ন্যায্য স্বীকৃতি ও ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব। কারণ দেশের উন্নয়ন তখনই টেকসই হয়, যখন গুরুত্বপূর্ণ সব অঞ্চল জাতীয় নেতৃত্বে সমানভাবে অংশীদার হয়।
এখন প্রশ্ন একটাই- গাজীপুর কি শুধু ভোটের সময় দরকার, নাকি সিদ্ধান্তের টেবিলেও তার জায়গা আছে?

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
৪৯ সদস্যের বিশাল মন্ত্রিসভা গঠিত হলেও দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জেলা গাজীপুর থেকে একজনও প্রতিনিধি না থাকায় তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন জেলার সাধারণ মানুষ। শিল্প, বাণিজ্য ও জনসংখ্যার দিক থেকে দেশের শীর্ষস্থানীয় এই জেলা কার্যত মন্ত্রিসভায় ‘ব্রাত্য’ হয়ে পড়েছে- যা স্থানীয়দের কাছে বিস্ময়কর ও অপমানজনক বলেই মনে হচ্ছে।
দেশের প্রধান শিল্পাঞ্চল হিসেবে পরিচিত গাজীপুরে রয়েছে হাজারো কারখানা, লক্ষাধিক শ্রমিক এবং কোটি টাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড। জাতীয় অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে যে জেলাটি প্রতিদিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে, সেই জেলার কোনো কণ্ঠ মন্ত্রিসভায় না থাকা অনেকের কাছেই চরম অবহেলার প্রতীক।
রাজনৈতিকভাবেও গাজীপুর কোনো পিছিয়ে থাকা জেলা নয়। স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রাম, নির্বাচন ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে এই জেলার মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ ইতিহাসে সুপরিচিত। ভোটের মাঠে গাজীপুর বরাবরই ‘হটস্পট’। অথচ এত বড় মন্ত্রিসভায় জেলার জন্য একটি চেয়ারও না থাকায় প্রশ্ন উঠেছে- তাহলে গাজীপুরের গুরুত্ব কোথায়?
স্থানীয়দের অভিযোগ, মন্ত্রিসভায় প্রতিনিধিত্ব না থাকায় জেলার উন্নয়ন কার্যক্রমও ধীরগতির ঝুঁকিতে পড়বে। শিল্পায়ন, যানজট, পরিবেশ দূষণ, নগর পরিকল্পনা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য- প্রতিটি ক্ষেত্রেই গাজীপুরে রয়েছে বড় চ্যালেঞ্জ। এসব বিষয়ে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে শক্ত কণ্ঠ না থাকলে সমস্যাগুলো আরও দীর্ঘস্থায়ী হবে বলেই আশঙ্কা করছেন সচেতন মহল।
একজন স্থানীয় নাগরিক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “দেশের অর্থনীতি চলে গাজীপুরের ঘামে, কিন্তু সিদ্ধান্ত হয় অন্য জেলায় বসে। এটা কি ন্যায্য?”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মন্ত্রিসভা গঠনে নানা সমীকরণ থাকলেও গাজীপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলাকে পুরোপুরি উপেক্ষা করা রাজনৈতিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্ত। এতে করে ভবিষ্যতে জনমনে অসন্তোষ ও আস্থার সংকট তৈরি হতে পারে।
গাজীপুরবাসীর স্পষ্ট দাবি—তারা বিশেষ কিছু চায় না, শুধু চায় ন্যায্য স্বীকৃতি ও ন্যায্য প্রতিনিধিত্ব। কারণ দেশের উন্নয়ন তখনই টেকসই হয়, যখন গুরুত্বপূর্ণ সব অঞ্চল জাতীয় নেতৃত্বে সমানভাবে অংশীদার হয়।
এখন প্রশ্ন একটাই- গাজীপুর কি শুধু ভোটের সময় দরকার, নাকি সিদ্ধান্তের টেবিলেও তার জায়গা আছে?

আপনার মতামত লিখুন