পবিত্র মাহে রমজানকে সামনে রেখে ভোলার স্থানীয় বাজারগুলোতে অধিকাংশ নিত্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল থাকলেও হঠাৎ করেই লেবুর দাম দুই থেকে তিনগুণ বেড়েছে। এতে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবসায়ীদের কারসাজির কারণেই এমন মূল্যবৃদ্ধি। তবে বিক্রেতারা বলছেন, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়েছে।
সরেজমিনে ভোলা জেলা শহরের কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, ছোট আকারের এক হালি লেবু কিনতে এখন গুনতে হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, যা দুদিন আগেও ছিল ২০ টাকা। মাঝারি ও বড় আকারের লেবু বিক্রি হচ্ছে প্রতি হালি ৮০ থেকে ১২০ টাকায়, যেখানে আগে দাম ছিল ৩০ থেকে ৪০ টাকা।
একই সঙ্গে প্রতি কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে বেগুন ও কাঁচামরিচের দাম। সাধারণ মানের খেজুরের দামও ৬০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে হয়েছে ২২০ টাকা। তবে মাছ, মাংস, ডিম ও অন্যান্য সবজির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
ভোলা শহরের বাসিন্দা মেহেদি হাসান, মো. কবির হোসেন, আনোয়ার, আয়েশা বেগম ও মরিয়ম রমজান উপলক্ষে বাজার করতে এসে লেবুর দোকানে গিয়ে দামের কথা শুনে বিস্মিত হন। তারা জানান, দুদিন আগে ছোট লেবু ২০ টাকা হালি কিনেছেন। কিন্তু আজ একই লেবু ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সব দোকানেই একই দাম রাখা হয়েছে। ইফতারের শরবতের জন্য লেবু প্রয়োজন হওয়ায় বাধ্য হয়ে বেশি দামে কিনতে হয়েছে। তাদের দাবি, কৃষি বিপণন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ বিভাগ কঠোরভাবে বাজার তদারকি করলে ব্যবসায়ীরা এভাবে হঠাৎ দাম বাড়াতে পারতেন না।
দাম বৃদ্ধির বিষয়টি স্বীকার করে বিক্রেতা মো. নাঈম, শরীফ ও হাসান বলেন, তারা টাঙ্গাইল জেলা থেকে লেবু কিনে ভোলায় আনেন। গত কয়েকদিন ধরে সরবরাহ কমে যাওয়ায় মোকামেই দাম বেড়েছে। ফলে তারা বাড়তি দামে কিনে বিক্রি করছেন। দাম কমলে বিক্রিও কম দামে করা হবে বলে দাবি করেন তারা।
ক্রেতাদের অভিযোগের বিষয়ে ভোলা জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা মো. মোস্তফা সোহেল বলেন, রমজানকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সভা করে পণ্যের দাম সহনীয় রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রমজান উপলক্ষে বাজার মনিটরিং টিম গঠন করা হবে, যাতে কোনো ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফা অর্জন করতে না পারেন। অতিরিক্ত দামের বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
বিষয় : রমজান লেবু দাম কাঁচাবাজার

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
পবিত্র মাহে রমজানকে সামনে রেখে ভোলার স্থানীয় বাজারগুলোতে অধিকাংশ নিত্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল থাকলেও হঠাৎ করেই লেবুর দাম দুই থেকে তিনগুণ বেড়েছে। এতে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবসায়ীদের কারসাজির কারণেই এমন মূল্যবৃদ্ধি। তবে বিক্রেতারা বলছেন, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়েছে।
সরেজমিনে ভোলা জেলা শহরের কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, ছোট আকারের এক হালি লেবু কিনতে এখন গুনতে হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, যা দুদিন আগেও ছিল ২০ টাকা। মাঝারি ও বড় আকারের লেবু বিক্রি হচ্ছে প্রতি হালি ৮০ থেকে ১২০ টাকায়, যেখানে আগে দাম ছিল ৩০ থেকে ৪০ টাকা।
একই সঙ্গে প্রতি কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে বেগুন ও কাঁচামরিচের দাম। সাধারণ মানের খেজুরের দামও ৬০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে হয়েছে ২২০ টাকা। তবে মাছ, মাংস, ডিম ও অন্যান্য সবজির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
ভোলা শহরের বাসিন্দা মেহেদি হাসান, মো. কবির হোসেন, আনোয়ার, আয়েশা বেগম ও মরিয়ম রমজান উপলক্ষে বাজার করতে এসে লেবুর দোকানে গিয়ে দামের কথা শুনে বিস্মিত হন। তারা জানান, দুদিন আগে ছোট লেবু ২০ টাকা হালি কিনেছেন। কিন্তু আজ একই লেবু ৫০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সব দোকানেই একই দাম রাখা হয়েছে। ইফতারের শরবতের জন্য লেবু প্রয়োজন হওয়ায় বাধ্য হয়ে বেশি দামে কিনতে হয়েছে। তাদের দাবি, কৃষি বিপণন ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ বিভাগ কঠোরভাবে বাজার তদারকি করলে ব্যবসায়ীরা এভাবে হঠাৎ দাম বাড়াতে পারতেন না।
দাম বৃদ্ধির বিষয়টি স্বীকার করে বিক্রেতা মো. নাঈম, শরীফ ও হাসান বলেন, তারা টাঙ্গাইল জেলা থেকে লেবু কিনে ভোলায় আনেন। গত কয়েকদিন ধরে সরবরাহ কমে যাওয়ায় মোকামেই দাম বেড়েছে। ফলে তারা বাড়তি দামে কিনে বিক্রি করছেন। দাম কমলে বিক্রিও কম দামে করা হবে বলে দাবি করেন তারা।
ক্রেতাদের অভিযোগের বিষয়ে ভোলা জেলা কৃষি বিপণন কর্মকর্তা মো. মোস্তফা সোহেল বলেন, রমজানকে কেন্দ্র করে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সভা করে পণ্যের দাম সহনীয় রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রমজান উপলক্ষে বাজার মনিটরিং টিম গঠন করা হবে, যাতে কোনো ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফা অর্জন করতে না পারেন। অতিরিক্ত দামের বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

আপনার মতামত লিখুন