নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)‑র যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিকুর রহমান মুজাহিদ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) শপথ গ্রহণের পর শহীদ ওসমান হাদীর কবর জিয়ারত করেছেন।
কুড়িগ্রাম‑২ আসনের এই সংসদ সদস্য শপথ নেওয়ার পর রাত প্রায় ৯টায় ঢাকার বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্নে অবস্থানরত শহীদ হাদীর কবরের পাশে গিয়ে শ্রদ্ধা জানান। সেখানে তিনি দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন এবং শহীদ হাদীর আত্মার শান্তি কামনা করেন।
ড. মুজাহিদ বলেন, “আল্লাহ যেন দেশের জন্য সৎ ও যোগ্য প্রতিনিধিদের উত্থান ঘটান এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করার শক্তি দেন।” তিনি আরও জানান, শহীদ ওসমান হাদীর আদর্শ ও সাহসিকতা ভবিষ্যতের রাজনৈতিক প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।
এ সময় এনসিপি‑র অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন। তারা শহীদ হাদীর স্মৃতিকে সম্মান জানিয়ে দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন। শহীদ ওসমান হাদি সম্প্রতি একটি রাজনৈতিক কর্মসূচির সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন এবং পরে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর মৃত্যু দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছিল।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, শপথ গ্রহণের পর এই কবর জিয়ারত প্রমাণ করে ড. মুজাহিদের রাজনৈতিক ভাবমূর্তির সঙ্গে শহীদ হাদীর আদর্শের ঘনিষ্ঠ সংযোগ এবং জনগণের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের ইচ্ছা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)‑র যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিকুর রহমান মুজাহিদ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) শপথ গ্রহণের পর শহীদ ওসমান হাদীর কবর জিয়ারত করেছেন।
কুড়িগ্রাম‑২ আসনের এই সংসদ সদস্য শপথ নেওয়ার পর রাত প্রায় ৯টায় ঢাকার বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্নে অবস্থানরত শহীদ হাদীর কবরের পাশে গিয়ে শ্রদ্ধা জানান। সেখানে তিনি দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন এবং শহীদ হাদীর আত্মার শান্তি কামনা করেন।
ড. মুজাহিদ বলেন, “আল্লাহ যেন দেশের জন্য সৎ ও যোগ্য প্রতিনিধিদের উত্থান ঘটান এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করার শক্তি দেন।” তিনি আরও জানান, শহীদ ওসমান হাদীর আদর্শ ও সাহসিকতা ভবিষ্যতের রাজনৈতিক প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।
এ সময় এনসিপি‑র অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন। তারা শহীদ হাদীর স্মৃতিকে সম্মান জানিয়ে দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন। শহীদ ওসমান হাদি সম্প্রতি একটি রাজনৈতিক কর্মসূচির সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন এবং পরে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর মৃত্যু দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছিল।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, শপথ গ্রহণের পর এই কবর জিয়ারত প্রমাণ করে ড. মুজাহিদের রাজনৈতিক ভাবমূর্তির সঙ্গে শহীদ হাদীর আদর্শের ঘনিষ্ঠ সংযোগ এবং জনগণের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের ইচ্ছা।

আপনার মতামত লিখুন