বাংলাদেশের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানিয়েছেন দেশটির লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) সন্ধ্যায় নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে এক সৌজন্য সাক্ষাতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পক্ষ থেকে তিনি এই আমন্ত্রণ পৌঁছে দেন।
এদিন দুপুরে ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রিকে সঙ্গে নিয়ে বিশেষ বিমানে ঢাকায় আসেন ওম বিড়লা। বিকেলে বঙ্গভবনে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে সশরীরে উপস্থিত থেকে তিনি প্রতিবেশী রাষ্ট্রের নতুন সরকারের প্রতি ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেন।
সাক্ষাৎকালে লোকসভার স্পিকার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে নরেন্দ্র মোদির বিশেষ শুভেচ্ছা বার্তা হস্তান্তর করেন। দুই নেতার আলাপকালে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। ওম বিড়লা বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের কল্যাণে এবং উন্নয়নমূলক লক্ষ্য অর্জনে দুই দেশ "জনকেন্দ্রিক সহযোগিতা" (People-centric cooperation) বজায় রেখে কাজ করে যাবে।
জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতের এই শুভেচ্ছা ও আমন্ত্রণের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। দুই দেশের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও সুসংহত করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও সামাজিক খাতে একত্রে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ভারতের উচ্চপর্যায়ের এই প্রতিনিধি দলের উপস্থিতি এবং প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই এই সফরের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ জানিয়েছেন দেশটির লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) সন্ধ্যায় নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে এক সৌজন্য সাক্ষাতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পক্ষ থেকে তিনি এই আমন্ত্রণ পৌঁছে দেন।
এদিন দুপুরে ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রিকে সঙ্গে নিয়ে বিশেষ বিমানে ঢাকায় আসেন ওম বিড়লা। বিকেলে বঙ্গভবনে নতুন মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে সশরীরে উপস্থিত থেকে তিনি প্রতিবেশী রাষ্ট্রের নতুন সরকারের প্রতি ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেন।
সাক্ষাৎকালে লোকসভার স্পিকার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে নরেন্দ্র মোদির বিশেষ শুভেচ্ছা বার্তা হস্তান্তর করেন। দুই নেতার আলাপকালে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। ওম বিড়লা বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের কল্যাণে এবং উন্নয়নমূলক লক্ষ্য অর্জনে দুই দেশ "জনকেন্দ্রিক সহযোগিতা" (People-centric cooperation) বজায় রেখে কাজ করে যাবে।
জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারতের এই শুভেচ্ছা ও আমন্ত্রণের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। দুই দেশের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও সুসংহত করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও সামাজিক খাতে একত্রে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ভারতের উচ্চপর্যায়ের এই প্রতিনিধি দলের উপস্থিতি এবং প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই এই সফরের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন