প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ ১০ জনকে উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ করেছেন, যারা সরকারি প্রটোকলে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সমতুল্য মর্যাদা পাবেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি হওয়া প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই নিয়োগ কার্যকর হয়েছে।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, মন্ত্রী সমতুল্য মর্যাদায় উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, নজরুল ইসলাম খান, রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, মোঃ ইসমাইল জবিউল্লাহ এবং ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। তারা সরকারের নীতি নির্ধারণ ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।
অন্যদিকে, প্রতিমন্ত্রী সমতুল্য মর্যাদায় উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন হুমায়ূন কবির, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলাম, ডা. জাহেদুর রহমান, ড. মাহাদি আমিন এবং রেহান আসিফ আসাদ। তারা বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প ও উদ্যোগে পরামর্শ প্রদান এবং প্রশাসনিক সহায়তার দায়িত্বে থাকবেন।
সরকারি সূত্র জানায়, নতুনভাবে গঠিত সরকারের প্রশাসনিক কাঠামোতে এই উপদেষ্টাদের নিয়োগ একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সমতুল্য মর্যাদা প্রদান করার মাধ্যমে তাদের কার্যক্রমে প্রভাব বৃদ্ধি পাবে এবং সরকারের নীতি নির্ধারণ ও বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকা থাকবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ ১০ জনকে উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ করেছেন, যারা সরকারি প্রটোকলে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সমতুল্য মর্যাদা পাবেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি হওয়া প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই নিয়োগ কার্যকর হয়েছে।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, মন্ত্রী সমতুল্য মর্যাদায় উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, নজরুল ইসলাম খান, রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, মোঃ ইসমাইল জবিউল্লাহ এবং ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। তারা সরকারের নীতি নির্ধারণ ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।
অন্যদিকে, প্রতিমন্ত্রী সমতুল্য মর্যাদায় উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন হুমায়ূন কবির, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলাম, ডা. জাহেদুর রহমান, ড. মাহাদি আমিন এবং রেহান আসিফ আসাদ। তারা বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প ও উদ্যোগে পরামর্শ প্রদান এবং প্রশাসনিক সহায়তার দায়িত্বে থাকবেন।
সরকারি সূত্র জানায়, নতুনভাবে গঠিত সরকারের প্রশাসনিক কাঠামোতে এই উপদেষ্টাদের নিয়োগ একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর সমতুল্য মর্যাদা প্রদান করার মাধ্যমে তাদের কার্যক্রমে প্রভাব বৃদ্ধি পাবে এবং সরকারের নীতি নির্ধারণ ও বাস্তবায়নে সহায়ক ভূমিকা থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন