বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শপথ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভারত সরকারের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পেয়েছেন। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিরলা এ আমন্ত্রণপত্র ও শুভেচ্ছাবার্তা তুলে দেন। তিনি জানান, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে আরও ঘনিষ্ঠ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের পর সৌজন্য সাক্ষাতে ওম বিরলা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারতের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানান এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ভারতের ঘনিষ্ঠ বন্ধু রাষ্ট্র এবং দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থে সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হবে বলে নিউ দিল্লি আশাবাদী।
অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানান, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বিত ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক বজায় রাখা তার সরকারের অগ্রাধিকার। তিনি ভারতের আমন্ত্রণকে ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করেন এবং ভবিষ্যতে দুই দেশের উন্নয়ন, বাণিজ্য ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার বিষয়গুলোতে যৌথ উদ্যোগের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তনের পর ভারতের দ্রুত শুভেচ্ছা ও আমন্ত্রণ কূটনৈতিক সম্পর্কের উন্নতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে। দীর্ঘদিনের টানাপোড়েনের পর এই আমন্ত্রণ দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে নতুন ভারসাম্য সৃষ্টি করতে পারে বলেও তারা মত দেন।
শপথের দিনেই ভারতের এ ধরনের উচ্চপর্যায়ের উপস্থিতি ও আমন্ত্রণ পাওয়া আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান পুনর্গঠনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এখন নজর থাকবে—তারেক রহমান কবে ভারত সফরে যাবেন এবং সেই সফরে দুই দেশের মধ্যে কোন কোন বিষয় অগ্রাধিকার পাবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শপথ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভারত সরকারের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ পেয়েছেন। শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিরলা এ আমন্ত্রণপত্র ও শুভেচ্ছাবার্তা তুলে দেন। তিনি জানান, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ককে আরও ঘনিষ্ঠ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের পর সৌজন্য সাক্ষাতে ওম বিরলা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারতের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানান এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা জোরদারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ভারতের ঘনিষ্ঠ বন্ধু রাষ্ট্র এবং দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থে সহযোগিতা আরও বিস্তৃত হবে বলে নিউ দিল্লি আশাবাদী।
অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানান, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সমন্বিত ও সহযোগিতামূলক সম্পর্ক বজায় রাখা তার সরকারের অগ্রাধিকার। তিনি ভারতের আমন্ত্রণকে ইতিবাচকভাবে মূল্যায়ন করেন এবং ভবিষ্যতে দুই দেশের উন্নয়ন, বাণিজ্য ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার বিষয়গুলোতে যৌথ উদ্যোগের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তনের পর ভারতের দ্রুত শুভেচ্ছা ও আমন্ত্রণ কূটনৈতিক সম্পর্কের উন্নতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করছে। দীর্ঘদিনের টানাপোড়েনের পর এই আমন্ত্রণ দক্ষিণ এশিয়ার কূটনীতিতে নতুন ভারসাম্য সৃষ্টি করতে পারে বলেও তারা মত দেন।
শপথের দিনেই ভারতের এ ধরনের উচ্চপর্যায়ের উপস্থিতি ও আমন্ত্রণ পাওয়া আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান পুনর্গঠনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এখন নজর থাকবে—তারেক রহমান কবে ভারত সফরে যাবেন এবং সেই সফরে দুই দেশের মধ্যে কোন কোন বিষয় অগ্রাধিকার পাবে।

আপনার মতামত লিখুন