প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীর সমন্বয়ে নতুন মন্ত্রিপরিষদ গঠিত হলেও বিএনপির দীর্ঘদিনের প্রভাবশালী একাধিক জ্যেষ্ঠ নেতা এবার মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি।
আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ থাকলেও ঘোষিত তালিকায় পরিচিত একাধিক হেভিওয়েট নেতার নাম না থাকায় রাজনৈতিক মহলে আলোচনার সূত্রপাত হয়েছে।
মন্ত্রিসভায় জায়গা না পাওয়া নেতাদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আব্দুল মঈন খান, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান, আমানউল্লাহ আমান ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। এ ছাড়া দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এবং ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদুও নতুন মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হননি।
উল্লেখযোগ্য যে, এই তালিকায় শামসুজ্জামান দুদু, নজরুল ইসলাম খান ও রুহুল কবির রিজভী ছাড়া বাকি নেতারা অতীতে বিএনপি সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় পরিচালনার অভিজ্ঞতা রাখেন। তাঁদের মন্ত্রিসভায় না রাখার বিষয়টি দলীয় রাজনীতির নতুন সমীকরণ হিসেবে বিশ্লেষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীর সমন্বয়ে নতুন মন্ত্রিপরিষদ গঠিত হলেও বিএনপির দীর্ঘদিনের প্রভাবশালী একাধিক জ্যেষ্ঠ নেতা এবার মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি।
আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। শপথ অনুষ্ঠানকে ঘিরে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ থাকলেও ঘোষিত তালিকায় পরিচিত একাধিক হেভিওয়েট নেতার নাম না থাকায় রাজনৈতিক মহলে আলোচনার সূত্রপাত হয়েছে।
মন্ত্রিসভায় জায়গা না পাওয়া নেতাদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আব্দুল মঈন খান, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান, আমানউল্লাহ আমান ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। এ ছাড়া দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এবং ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদুও নতুন মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হননি।
উল্লেখযোগ্য যে, এই তালিকায় শামসুজ্জামান দুদু, নজরুল ইসলাম খান ও রুহুল কবির রিজভী ছাড়া বাকি নেতারা অতীতে বিএনপি সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় পরিচালনার অভিজ্ঞতা রাখেন। তাঁদের মন্ত্রিসভায় না রাখার বিষয়টি দলীয় রাজনীতির নতুন সমীকরণ হিসেবে বিশ্লেষকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

আপনার মতামত লিখুন