বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ থেকে বিরত থাকায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু), এবং এই সিদ্ধান্তকে জনগণের রায়ের প্রতি অবজ্ঞা হিসেবে আখ্যায়িত করে নতুন সাংবিধানিক সংকটের আশঙ্কা জানিয়েছে সংগঠনটি।
আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) এক বিবৃতিতে ডাকসু জানায়, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ না করে বিএনপি জনগণের প্রত্যক্ষ রায়কে অগ্রাহ্য করেছে, যা গণতান্ত্রিক চর্চা এবং 'জুলাই সনদে' দলটির কৃত অঙ্গীকারের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক।
ডাকসু নেতারা বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত গণভোটে 'হ্যাঁ' ভোটের সুস্পষ্ট বিজয়ের মধ্য দিয়ে জনগণ সংস্কারের পক্ষে তাদের অবস্থান নিঃসন্দেহে জানিয়ে দিয়েছে। সেই রায় কার্যকর করার প্রক্রিয়া থেকে সরে দাঁড়ানো জনমতের প্রতি চরম অবহেলার প্রকাশ। বিবৃতিতে সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদের প্রসঙ্গ টেনে বলা হয়, প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার উৎস জনগণ এবং জনগণের অভিপ্রায়ই সংবিধানের সর্বোচ্চ ভিত্তি।
'জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫'-এর ৮ নম্বর ধারা অনুযায়ী সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও বিএনপি জোট তা উপেক্ষা করেছে বলে অভিযোগ করা হয় বিবৃতিতে।
ডাকসু আরও বলেছে, জুলাই বিপ্লবের মূল প্রত্যাশা— স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার— বাস্তবায়নে সকল রাজনৈতিক শক্তির দায়িত্বশীল অংশগ্রহণ অপরিহার্য। সংকীর্ণ দলীয় স্বার্থকে জনরায়ের ওপরে স্থান দেওয়া হলে গণতান্ত্রিক কাঠামো মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।
বিবৃতির শেষাংশে বিএনপিকে সতর্ক করে ডাকসু জানায়, দলটি যদি সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণে এগিয়ে না আসে এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নে ভূমিকা না রাখে, তাহলে নতুন সাংবিধানিক সংকট দেখা দিতে পারে এবং অন্তর্বর্তী সরকার, বিচার ও নির্বাচনের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ থেকে বিরত থাকায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু), এবং এই সিদ্ধান্তকে জনগণের রায়ের প্রতি অবজ্ঞা হিসেবে আখ্যায়িত করে নতুন সাংবিধানিক সংকটের আশঙ্কা জানিয়েছে সংগঠনটি।
আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) এক বিবৃতিতে ডাকসু জানায়, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ না করে বিএনপি জনগণের প্রত্যক্ষ রায়কে অগ্রাহ্য করেছে, যা গণতান্ত্রিক চর্চা এবং 'জুলাই সনদে' দলটির কৃত অঙ্গীকারের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক।
ডাকসু নেতারা বিবৃতিতে উল্লেখ করেন, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত গণভোটে 'হ্যাঁ' ভোটের সুস্পষ্ট বিজয়ের মধ্য দিয়ে জনগণ সংস্কারের পক্ষে তাদের অবস্থান নিঃসন্দেহে জানিয়ে দিয়েছে। সেই রায় কার্যকর করার প্রক্রিয়া থেকে সরে দাঁড়ানো জনমতের প্রতি চরম অবহেলার প্রকাশ। বিবৃতিতে সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদের প্রসঙ্গ টেনে বলা হয়, প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার উৎস জনগণ এবং জনগণের অভিপ্রায়ই সংবিধানের সর্বোচ্চ ভিত্তি।
'জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫'-এর ৮ নম্বর ধারা অনুযায়ী সংসদ সদস্য ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ একই সঙ্গে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও বিএনপি জোট তা উপেক্ষা করেছে বলে অভিযোগ করা হয় বিবৃতিতে।
ডাকসু আরও বলেছে, জুলাই বিপ্লবের মূল প্রত্যাশা— স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার— বাস্তবায়নে সকল রাজনৈতিক শক্তির দায়িত্বশীল অংশগ্রহণ অপরিহার্য। সংকীর্ণ দলীয় স্বার্থকে জনরায়ের ওপরে স্থান দেওয়া হলে গণতান্ত্রিক কাঠামো মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।
বিবৃতির শেষাংশে বিএনপিকে সতর্ক করে ডাকসু জানায়, দলটি যদি সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণে এগিয়ে না আসে এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নে ভূমিকা না রাখে, তাহলে নতুন সাংবিধানিক সংকট দেখা দিতে পারে এবং অন্তর্বর্তী সরকার, বিচার ও নির্বাচনের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন