বাংলাদেশের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে বার্তা পাঠিয়েছেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং। আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) ঢাকায় অবস্থিত চীনা দূতাবাস তাদের সরকারি ফেসবুক পেজে এই অভিনন্দনবার্তা প্রকাশ করে।
অভিনন্দনবার্তায় লি কিয়াং বলেন, চীন ও বাংলাদেশ পরস্পরের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ প্রতিবেশী এবং দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ অংশীদার। কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের ৫১ বছর ধরে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমতা ও পারস্পরিকভাবে লাভজনক সহযোগিতার ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে, যা রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।
চীনের প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের নতুন সরকারের কার্যক্রম সুচারুভাবে পরিচালনায় চীন সরকার সমর্থন অব্যাহত রাখবে এবং তারেক রহমানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার প্রত্যাশা রয়েছে বেইজিংয়ের। একই সঙ্গে তিনি দুই দেশের চিরায়ত বন্ধুত্বকে আরও সুদৃঢ় করা, উচ্চমানের বেল্ট অ্যান্ড রোড সহযোগিতা জোরদার করা এবং বিভিন্ন খাতে পারস্পরিক বিনিময় বৃদ্ধির মাধ্যমে চীন-বাংলাদেশ সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতা অংশীদারত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
লি কিয়াং তাঁর বার্তায় আশা প্রকাশ করেন, এই সহযোগিতা দুই দেশের জনগণের জীবনে আরও বেশি কল্যাণ বয়ে আনবে এবং উভয় দেশের সামগ্রিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশের নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে বার্তা পাঠিয়েছেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং। আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) ঢাকায় অবস্থিত চীনা দূতাবাস তাদের সরকারি ফেসবুক পেজে এই অভিনন্দনবার্তা প্রকাশ করে।
অভিনন্দনবার্তায় লি কিয়াং বলেন, চীন ও বাংলাদেশ পরস্পরের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ প্রতিবেশী এবং দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ অংশীদার। কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের ৫১ বছর ধরে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সমতা ও পারস্পরিকভাবে লাভজনক সহযোগিতার ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে, যা রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।
চীনের প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশের নতুন সরকারের কার্যক্রম সুচারুভাবে পরিচালনায় চীন সরকার সমর্থন অব্যাহত রাখবে এবং তারেক রহমানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার প্রত্যাশা রয়েছে বেইজিংয়ের। একই সঙ্গে তিনি দুই দেশের চিরায়ত বন্ধুত্বকে আরও সুদৃঢ় করা, উচ্চমানের বেল্ট অ্যান্ড রোড সহযোগিতা জোরদার করা এবং বিভিন্ন খাতে পারস্পরিক বিনিময় বৃদ্ধির মাধ্যমে চীন-বাংলাদেশ সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতা অংশীদারত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।
লি কিয়াং তাঁর বার্তায় আশা প্রকাশ করেন, এই সহযোগিতা দুই দেশের জনগণের জীবনে আরও বেশি কল্যাণ বয়ে আনবে এবং উভয় দেশের সামগ্রিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন