ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শপথ গ্রহণের পর তিনি দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে একই পরিবারের তিন সদস্যের সরকারপ্রধান হওয়ার নজির স্থাপন হলো জিয়া পরিবারে।
তারেক রহমানের বাবা জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা-উত্তর সময়ে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৭৮ সালে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমানের হত্যার পর রাজনীতিতে প্রবেশ করেন তার মা খালেদা জিয়া। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি ব্যাপক জনসমর্থন অর্জন করেন এবং ১৯৯১ সালে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পরবর্তী সময়ে আরও দুই দফায় সরকার পরিচালনা করেন।
বাবা-মায়ের পর এবার সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পেলেন তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে একই পরিবারের তিনজন সরকারপ্রধান হওয়ার পাশাপাশি সরকার পরিচালনায় দ্বিতীয় প্রজন্মের নেতৃত্বের সূচনা হলো।
রাজতন্ত্র ছাড়া আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় একই পরিবারের একাধিক সদস্য শীর্ষ নেতৃত্বে আসার ঘটনা বিশ্বে বিরল হলেও একেবারেই অপ্রচলিত নয়। ভারতে জওহরলাল নেহরু, তার মেয়ে ইন্দিরা গান্ধী ও নাতি রাজীব গান্ধী তিনজনই প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। পাকিস্তানে জুলফিকার আলী ভুট্টো, তার মেয়ে বেনজির ভুট্টো ও স্বামী আসিফ আলী জারদারি প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। শ্রীলঙ্কায় এস ডব্লিউ আর ডি বন্দরনায়েকে, শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে ও চন্দ্রিকা কুমারাতুঙ্গা একই পরিবারের নেতৃত্বে রাষ্ট্র পরিচালনা করেছেন। এছাড়া উত্তর কোরিয়ায় কিম পরিবার, থাইল্যান্ডে সিনাওয়াত্রা পরিবার এবং গ্রিসে পাপানড্রেউ পরিবারে পারিবারিক রাজনৈতিক ধারাবাহিকতার নজির রয়েছে।
যুক্তরাজ্যে প্রায় দেড় যুগ কাটিয়ে ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। তখন তিনি ছিলেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। দেশে ফেরার পর মাত্র কয়েক দিন বাদে মারা যান তার মা খালেদা জিয়া। এরপর থেকে তিনি বিএনপির চেয়ারম্যান হন। ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে তার নেতৃত্বে দল ২১২টি আসনে জয়ী হয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। এখন বাবা-মায়ের পর তিনিও সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করলেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শপথ গ্রহণের পর তিনি দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে একই পরিবারের তিন সদস্যের সরকারপ্রধান হওয়ার নজির স্থাপন হলো জিয়া পরিবারে।
তারেক রহমানের বাবা জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা-উত্তর সময়ে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৭৮ সালে বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমানের হত্যার পর রাজনীতিতে প্রবেশ করেন তার মা খালেদা জিয়া। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি ব্যাপক জনসমর্থন অর্জন করেন এবং ১৯৯১ সালে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পরবর্তী সময়ে আরও দুই দফায় সরকার পরিচালনা করেন।
বাবা-মায়ের পর এবার সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পেলেন তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তার দায়িত্ব গ্রহণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে একই পরিবারের তিনজন সরকারপ্রধান হওয়ার পাশাপাশি সরকার পরিচালনায় দ্বিতীয় প্রজন্মের নেতৃত্বের সূচনা হলো।
রাজতন্ত্র ছাড়া আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় একই পরিবারের একাধিক সদস্য শীর্ষ নেতৃত্বে আসার ঘটনা বিশ্বে বিরল হলেও একেবারেই অপ্রচলিত নয়। ভারতে জওহরলাল নেহরু, তার মেয়ে ইন্দিরা গান্ধী ও নাতি রাজীব গান্ধী তিনজনই প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। পাকিস্তানে জুলফিকার আলী ভুট্টো, তার মেয়ে বেনজির ভুট্টো ও স্বামী আসিফ আলী জারদারি প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। শ্রীলঙ্কায় এস ডব্লিউ আর ডি বন্দরনায়েকে, শ্রীমাভো বন্দরনায়েকে ও চন্দ্রিকা কুমারাতুঙ্গা একই পরিবারের নেতৃত্বে রাষ্ট্র পরিচালনা করেছেন। এছাড়া উত্তর কোরিয়ায় কিম পরিবার, থাইল্যান্ডে সিনাওয়াত্রা পরিবার এবং গ্রিসে পাপানড্রেউ পরিবারে পারিবারিক রাজনৈতিক ধারাবাহিকতার নজির রয়েছে।
যুক্তরাজ্যে প্রায় দেড় যুগ কাটিয়ে ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফেরেন তারেক রহমান। তখন তিনি ছিলেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। দেশে ফেরার পর মাত্র কয়েক দিন বাদে মারা যান তার মা খালেদা জিয়া। এরপর থেকে তিনি বিএনপির চেয়ারম্যান হন। ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে তার নেতৃত্বে দল ২১২টি আসনে জয়ী হয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। এখন বাবা-মায়ের পর তিনিও সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করলেন।

আপনার মতামত লিখুন